কৃষক বন্ধু প্রকল্পে রি-ভেরিফিকেশন শুরু! কী কী নথি লাগছে, ফর্ম কোথায় জমা দেবেন জানুন

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সময় নানা ধরণের উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমনই একটি উদ্যোগের নাম হল কৃষক বন্ধু (Krishak Bandhu) প্রকল্প। এর মাধ্যমে যোগ্য কৃষকদের জমির পরিমাণ অনুযায়ী বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। বর্তমানে এই প্রকল্পের (Government Scheme) উপভোক্তাদের নথি রি-ভেরিফিকেশন চলছে। এর জন্য কী কী নথি লাগছে, কোথায় ফর্ম জমা দিতে হচ্ছে জেনে নিন।

কৃষক বন্ধুর নথি রি-ভেরিফিকেশন শুরু | (Krishak Bandhu)

মালদহ জেলা প্রশাসন ও কৃষি দফতরে সূত্রে খবর, প্রত্যেকটি ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা দফতরে এই নথি রি-ভেরিফিকেশনের জন্য বিশেষ কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা অবধি (ছুটির দিন বাদে) উপভোক্তারা সেখানে গিয়ে ফর্ম সহ প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে পারবেন। পাশাপাশি অনলাইনেও ফর্ম পাওয়ার সুযোগ আছে।

আরও পড়ুনঃ মঙ্গলবারের মধ্যে জমা করতে হবে সব তথ্য! সরকারি দফতরগুলির শূন্যপদ পূরণে বিরাট উদ্যোগ রাজ্যের

কৃষক বন্ধু প্রকল্পের নথি রি-ভেরিফিকেশনের জন্য উপভোক্তার ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক পাসবই ও জমির পরচা সহ প্রয়োজনীয় নথির জেরক্স কপি লাগছে। উপভোক্তা বিবাহিত হলে স্বামী অথবা স্ত্রীর প্রয়োজনীয় পরিচয় এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি দরকার। তবে নথি জমা দেওয়ার সময় আসল কাগজপত্র অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে।

বর্তমানে এই সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তাদের নথি রি-ভেরিফিকেশন চললেও নতুন আবেদন বন্ধ আছে। কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভেরিফিকেশন শেষ হলে আগামীদিনে ফের নতুন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে এই প্রকল্পের বর্তমান উপভোক্তাদের ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা দফতরে যোগাযোগ করে দ্রুত রি-ভেরিফিকেশনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে জেলা কৃষি দফতর।

Krishak Bandhu

রাজ্য সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্পে জমির পরিমাণ অনুযায়ী উপভোক্তাদের বার্ষিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এক একর বা তার বেশি জমির ক্ষেত্রে বছরে সর্বাধিক ১০ হাজার টাকা ও এক একরের কম জমির ক্ষেত্রে জমির পরিমাণ অনুসারে নূন্যতম ৪ হাজার টাকা অবধি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী কোনও উপভোক্তার মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে এককালীন ২ লক্ষ টাকার সহায়তা দেওয়া হয়।