বাংলা হান্ট ডেস্ক : ট্রেনযাত্রায় অনেক সময় সঙ্গে থাকা জল ফুরিয়ে গেলে স্টেশনে কিংবা ট্রেনেই নতুন জলের বোতল (Water bottles) কিনতে হয়। তবে শুধু বোতলের গায়ে পরিচিত নাম বা লেবেল দেখেই জল কিনে নেওয়া ঠিক নয়। কয়েকটি বিষয় যাচাই করে তবেই পানীয় জল কেনা উচিত।
ট্রেনের কেনা জলের বোতলে (Water bottles) দেখবেন এই জিনিসগুলি
ট্রেনে জল কেনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বোতলটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা। ঢাকনা এবং সিল অক্ষত রয়েছে কি না, প্রথমেই তা দেখে নিন। বোতলের মুখ খোলা, সিল ছেঁড়া বা ঢাকনা আলগা থাকলে সেই বোতল কেনা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এমন বোতলের জল বাইরে থেকে পরিষ্কার দেখালেও তা দূষিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর পর বোতলের গায়ে ছাপা তথ্য দেখে নেবেন।
উৎপাদনের তারিখের পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ কিংবা নির্দিষ্ট সংরক্ষণকাল পরীক্ষা করা দরকার। প্যাকেটজাত জলের ক্ষেত্রে BIS ISI চিহ্নও দেখে নেওয়া উচিত। রেলস্টেশন বা ট্রেনে বিক্রি হওয়া জলের বোতল কেনার সময় বোতলের গায়ে এই চিহ্ন রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে তৈরি জলের বোতল চেনার ক্ষেত্রে এই চিহ্ন গুরুত্বপূর্ণ।
জল কেনার ক্ষেত্রে আইআরসিটিসি কর্মী অথবা প্যান্ট্রি কারের কর্মীদের কাছ থেকেই জল নেওয়া ভালো। স্টেশনে জল কিনতে হলে রেলওয়ের অনুমোদিত স্টল বেছে নিতে পারেন। অনেক স্টেশনেই জল বিক্রির মেশিন রয়েছে। সেখান থেকেও তুলনামূলক কম খরচে জল সংগ্রহ করা যায় এবং প্রয়োজন হলে নিজের বোতলেই জল ভরে নেওয়ার সুযোগ থাকে।

আরও পড়ুন : দার্জিলিং-কালিম্পংয়ের ভিড় এড়িয়ে মেঘ ছুঁতে চান? নির্জন পাহাড়ি সৌন্দর্যে আপনার অপেক্ষায় মাহালদিরাম
প্রসঙ্গত, ভ্রমণের সময় পানীয় জল নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত। দূষিত জল থেকে পেটের গোলমাল, বমি বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর ট্রেনের মধ্যে এমন সমস্যা শুরু হলে গোটা যাত্রাই অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে। তাই জল কেনার সময় কয়েক সেকেন্ড ব্যয় করে বোতলের সিল, তারিখ, মানের চিহ্ন এবং বিক্রেতার অনুমোদন দেখে নেওয়াই নিরাপদ সিদ্ধান্ত।













