বাংলা হান্ট ডেস্ক: উৎসবের মরসুমের আগে পকেটে মধ্যবিত্তের। কারণ রাজ্যের হিমঘর গুলিতে এখন প্রায় ৯ কোটি ২৬ লক্ষ প্যাকেট আলু (Potato) মজুত রয়েছে। যদিও এই বছর ১৬ কোটি ১ লক্ষ ৮ হাজার ২৭৮ প্যাকেট আলু মজুদ করা হয়েছিল। যার মধ্যে ৬ কোটি ৩৮ লক্ষ ৮২ হাজার ৭৮৫ প্যাকেট আলু হিমঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ ৩৯.৮৭ শতাংশ আলু বিক্রি হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের কাছে অন্যান্য বছর আগস্ট মাসে ৫০ শতাংশ আলু হিমঘর থেকে বেরিয়ে যায়।
আলুর দাম না পেয়ে বিপাকে চাষিরা! হিমঘরে মজুত বিপুল আলু (Potato)
চলতি বছরে এত পরিমানে আলু (Potato) মজুদ এখনো থাকায়, যথারীতি ঘুম উড়েছে চাষী ও ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তবে পুজোর খরচ জোগাড় করা নিয়ে বহু পরিবার সমস্যায় পড়েছেন। তাই এবার এই সমস্যার সমাধানের রাস্তা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ফরাক্কার ধসে উত্তরবঙ্গে ট্রেন চলাচলে সমস্যা! শনিবারও বাতিল বহু ট্রেন…
কারণ আলু ব্যবসায়ী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছর পূর্ব বর্ধমানে ২ কোটি ৯৩ লক্ষ ৯৫হাজার ৪৪ প্যাকেট হিমঘরে মজুত হয়েছিল। তারমধ্যে ১ কোটি ২৫ লক্ষ ৮২হাজার ৫৯২ প্যাকেট আলু বাজারে গিয়েছে। হুগলিতে ৪৩.০৪, মেদিনীপুরে ৪২.৬৭, বাঁকুড়ায় ৩৭.৫৩ শতাংশ আলু হিমঘর থেকে বের করা হয়েছে।
পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের হিমঘরগুলি থেকে ৩১.৫০ শতাংশ আলু বাজারে গিয়েছে। এই বিষয়ে আলু ব্যবসায়ী স্বপন মণ্ডল বলেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে ডিসেম্বর মাসেও বহু আলু হিমঘরে থেকে যাবে। বাইরের রাজ্যে আলু পাঠানো না গেলে সমস্যার সমাধান হবে না।
পাশাপাশি চলতে বছর পুজোর মরশুমে আলুর দাম ভালো পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছেন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করেন আলু চাষিরা। তাই এই বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, “আলু নিয়ে সরকারের বিকল্প ভাবনা না থাকলে আগামী দিনেও চাষিদের সমস্যায় পড়তে হবে। ফলন বেশি হলে দাম পাওয়া যাবে না। আগে ভিনরাজ্যে আলু (Potato) পাঠিয়ে লাভ পাওয়া যেত। এখন সেই রাস্তাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অনেক চাষি হিমঘর থেকে আলু বের করতেই চাইছে না।”













