বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজ্যে ঘোষিত হয়েছে সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission)। প্রতিশ্রুতি মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর নয়া পে কমিশনের ঘোষণা করেছে বিজেপি সরকার। আগামী বছরের শুরুর মধ্যে নয়া কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার। গত মাসে নবান্নে হওয়া কমিশনের প্রথম বৈঠক জানানো হয়েছিল, শীঘ্রই ওয়েবসাইট (7th Pay Commission Website) চালু করা হবে। সম্প্রতি সেই ওয়েবসাইট চালু হয়ে গিয়েছে।
আপত্তি কনফেডারেশনের | 7th Pay Commission
ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট মডিউলের মাধ্যমে বেতন, ভাতা, পদোন্নতি, অবসরকালীন সুবিধা ইত্যাদি বিষয়ে তাদের মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের কাছে। যদিও এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন, কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়।
সমাজমাধ্যমে মলয়বাবু লিখেছেন, “৭ম পেকমিশনের স্মারকলিপি পোর্টালে জমা হোক, আপত্তি নেই। কিন্তু শুনানি অর্থাৎ মতামতের সুযোগ দিতে হবে সামনাসামনি বসে।” উল্লেখ্য, কমিশনের কাছে কোনো স্মারকলিপি বা মতামত অনলাইলনে তাদের নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমেই কেবলমাত্র জমা দিতে পারবেন সরকারি কর্মী-আধিকারিক এবং পেনশনভোগীদের বিভিন্ন সংগঠন।
এছাড়া কমিশনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগতভাবেও কমিশনকে অনলাইনে তাঁর বক্তব্য জানানোর অপশন রাখা হয়েছে। যা ৩১ অক্টোবরের সময়সীমার মধ্যে জানানো যাবে। পাশাপাশি যদি কেউ কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে সময় চায়, তার জন্য সময় চাইলে সেটাও করতে হবে 7spc.wb.gov. in নামের পোর্টালটির মাধ্যমেই।

আরও পড়ুন: বকেয়া DA পাওয়ার আশায় জল! ফের আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে মামলা
সবটাই পোর্টালের মাধ্যমেই করতে হবে। কিন্তু অফলাইনে অফিসে গিয়ে, এমনকি ই-মেল করেও কোনো স্মারকলিপি বা তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ নেই। এখানেই আপত্তি জানিয়েছেন মলয় মুখোপাধ্যায়। মলয়বাবুর কথায়, কর্মচারী বা সংগঠনকে শুনানি বা মতামতের সুযোগ দিতে হবে সামনাসামনি বসে। তাঁরা চাইছেন কমিশনের সঙ্গে সামনাসামনি বসে বক্তব্য জানাতে।













