বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ১৫ লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের (Kirti Azad)। রানিগঞ্জ থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর এবার গ্রেফতারির আশঙ্কা করছেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ। সেই কারণেই কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন তিনি। কীর্তির দাবি, তদন্তে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তিনি তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে চান।
ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ (Kirti Azad)
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ২১ মে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় এক ব্যবসায়ীকে ফোন করে ডাকা হয়েছিল। সেখানে যাওয়ার পর কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে রান্নার গ্যাসের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওই ব্যবসায়ীর। ঘটনার অডিয়ো রেকর্ড তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
এই অভিযোগের পরই কীর্তি আজাদ (Kirti Azad) এবং তাঁর কয়েক জন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা হয়। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল সাংসদ। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। যে দিন ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ, সে দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন কীর্তি।
এই দাবির পক্ষে আদালতে নিজের বিমানযাত্রার তথ্য জমা দিয়েছেন তিনি (Kirti Azad)। একই সঙ্গে আগাম জামিনের আবেদনে মামলার সময় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। তাঁর বক্তব্য, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর করা হয়েছে। এতদিন পরে কেন অভিযোগ দায়ের করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর আরও দাবি, ১৫ লক্ষ টাকা চাওয়ার কথা বলা হলেও সেই টাকা ব্যবসায়ী দিয়েছিলেন কি না, তার কোনও প্রমাণ নেই।
কীর্তির (Kirti Azad) আইনজীবীদের বক্তব্য, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। সাংসদ নিজেও জানিয়েছেন, তদন্তের প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতা করবেন। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন নেই। এর আগে কীর্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। এবার তাঁর আগাম জামিনের আবেদনটি চলতি সপ্তাহে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে উঠতে পারে।

আরও পড়ুনঃ এখনই শেষ কথা নয়! টেট বিজ্ঞপ্তি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বড় বার্তা, কী ভাবছে সরকার?
এই মামলার পাশাপাশি কীর্তির (Kirti Azad) বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর বাতিলের দাবিতেও হাই কোর্টে মামলা হয়েছে। সেই মামলাটি করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ। চলতি সপ্তাহে বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে ওই মামলারও শুনানি হতে পারে।













