মুখ্যমন্ত্রীর পর এবার জনতার দরবারে অভিযোগ শুনবে কলকাতা পুলিশ! নতুন উদ্যোগ লালবাজারের

Published on:

Published on:

Kolkata Police Seniors will listen to public complaints two days every week
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মোবাইল চুরি হওয়া হোক অথবা অন্যান্য সাইবার ক্রাইমের অভিযোগ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুলিশের (Kolkata Police) কাছে রিপোর্ট করাই সার হয়ে থাকে। প্রতারকদের কাছ থেকে অর্থ ফিরে আনার ক্ষেত্রেও তৈরি হয় একাধিক জটিলতা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই সমস্ত ঘটনায় লাল ফিতের ফাঁসের কারণে অহেতুক সময় নষ্ট হয়ে থাকে জনসাধারণের । তাই এবার আমজনতার সমস্ত অভিযোগ শোনার দায়িত্ব নিচ্ছেন কলকাতা পুলিশের প্রবীণ কর্মকর্তারা।

জনগণের অভিযোগ শুনতে চালু ‘আপনার সরকার আপনার পাশে’

সম্প্রতি কলকাতা লালবাজারের তরফের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবার থেকে প্রত্যেক সপ্তাহের মঙ্গল এবং বৃহস্পতিবার করে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের অফিস জনসাধারণের অভিযোগ জানানোর জন্য খোলা থাকবে। সময় সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত। নির্দেশ অনুযায়ী কলকাতা পুলিশের যুগ্ম-নগরপাল এবং অতিরিক্ত নগরপালেরা এই দু’দিন তাঁদের আওতায় থাকা ডিভিশন অফিস পরিদর্শন করবেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবার চালু করেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রত্যেক সপ্তাহে তিনি নিজে ‘জনতার দরবার’–এ বসছেন। সরাসরি কথা বলছেন মানুষের সঙ্গে।

আরও পড়ুনঃ বামেরা ভরসা বুকস্টল! তৃণমূলের প্রতীকেও অনীহা মানুষের, সাক্ষাৎকারে জোড়া তোপ দিলীপ ঘোষের

আর এবার জনসাধারণের স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের অভিনব উদ্যোগ “আপনার সরকার আপনার পাশে”। এই সরকারি উদ্যোগের অধীনে এবার লালবাজার তরফে সমস্ত বিভাগে একটি সুসংগঠিত অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, যুগ্ম কমিশনার ও অতিরিক্ত কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতি মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার নির্ধারিত অধিবেশনে সরাসরি বিভাগীয় কার্যালয়গুলো পরিদর্শন করবেন এবং সাধারণ মানুষ তাদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাবেন।

এপ্রসঙ্গে একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য এবার থেকে সাধারণ মানুষকে আর লালবাজার পর্যন্ত দৌড়তে হবে না। তবে, অভিযোগকারীদের দেখা করার অনুমতি দেওয়ার আগে প্রতিটি মামলার সত্যতা যাচাই ও গুরুত্ব যাচাই করার বিষয়টিই সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য পাবে।’