বাংলা হান্ট ডেস্ক : স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপের (Swami Vivekananda Scholarship) টাকা কবে মিলবে, তা নিয়ে গত শিক্ষাবর্ষের বহু আবেদনকারীর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আবেদন করে অনুমোদন পাওয়ার পরও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ না আসায় অনেকেই দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এবার সেই অপেক্ষার পর্ব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। একাধিক আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই বৃত্তির অর্থ জমা পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
কবে মিলবে স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপের (Swami Vivekananda Scholarship) টাকা ?
তবে সকলের একই সময়ে টাকা পৌঁছচ্ছে না। ফলে অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা না ঢুকলে, প্রথমে স্কলারশিপ পোর্টালে গিয়ে আবেদনের স্ট্যাটাস দেখে নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সেখানে দেখানো নির্দিষ্ট স্ট্যাটাস থেকেই বোঝা যাবে অর্থপ্রদানের ধাপ পর্যন্ত আবেদনটি পৌঁছেছে কি না।
বিশেষ করে দুটি স্ট্যাটাস এখন আবেদনকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কোনও আবেদনের পাশে যদি ‘Application Approved (Scholarship Amount not Disbursed Yet)’ লেখা থাকে, তার অর্থ হল সংশ্লিষ্ট আবেদনটি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেয়েছে, কিন্তু বৃত্তির টাকা এখনও ছাড়া হয়নি। অর্থাৎ আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পরেও অর্থপ্রদানের ধাপটি বাকি রয়েছে।
আবার কারও আবেদনের স্ট্যাটাস যদি বদলে ‘Application Sanctioned (Scholarship Amount Disbursed)’ হয়ে থাকে, তাহলে সেটি অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে পরবর্তী পর্যায়ের ইঙ্গিত। এই বার্তা দেখানোর অর্থ, সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ার জন্য স্কলারশিপের অর্থ ছাড় করা হয়েছে। তবে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের পরেই যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেখা যাবে, এমনটা নয়। টাকা অ্যাকাউন্টে প্রতিফলিত হতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
যাঁদের স্ট্যাটাস এখনও ‘Application Approved (Scholarship Amount not Disbursed Yet’, তাঁদের ক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হতে পারে আরও কিছুদিন। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অবস্থায় থাকা আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পৌঁছতে প্রায় ১০ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। তাই অনুমোদন হয়ে যাওয়ার পরও টাকা না পাওয়াকে আবেদন বাতিল হওয়ার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না।
সংশ্লিষ্ট জেলার ট্রেজারি অফিসের মাধ্যমেই অর্থ পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছায়। বর্তমানে কলকাতার কয়েকটি ট্রেজারি অফিস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজ্যের কিছু জেলাতেও অর্থপ্রদানের কাজ এগিয়েছে। সব জেলার জন্য একই সময়ে পেমেন্ট সম্পন্ন হবে না। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলার ট্রেজারি অফিস থেকেও টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া এগোনোর কথা।

আরও পড়ুন :স্বাস্থ্যসচিবের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে? আর জি কর তদন্তে অভয়ার বাবার বড় দাবি
ফলে কারও অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যে টাকা চলে এলেও অন্য আবেদনকারীকে আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে অপেক্ষায় থাকা পড়ুয়াদের জন্য সবচেয়ে জরুরি হল আবেদনের স্ট্যাটাস নিয়মিত পরীক্ষা করা।














