বাংলাহান্ট ডেস্ক : সবজির মধ্যে পুষ্টির দিক থেকে এগিয়ে থাকবে পেঁপে। তবে কাঁচা পেঁপে অনেকে পছন্দ না করলেও মিষ্টি পাকা পেঁপে (Papaya) অনেকেই খান। পেঁপেতে রয়েছে ভরপুর ফাইবার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এছাড়াও এই ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ফোলেট ও নানান খনিজ।
বাজারে ভর্তি কার্বাইডে পাকানো পেঁপে (Papaya)
পেঁপেয় পুষ্টিগুণ ভরপুর থাকলেও বাজারে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী কার্বাইডে পাকানো গছিয়ে দিচ্ছেন ক্রেতার হাতে। কার্বাইডে পাকানো পেঁপে পেটের ব্যাধি থেকে গুরুতর অসুখ ডেকে আনতে পারে। কীভাবে আলাদা করবেন গাছপাকা পেঁপে আর কার্বাইডে পাকানো পেঁপে?

কীভাবে পার্থক্য করবেন: কার্বাইড দিয়ে পাকানো পেঁপের রঙ হয় উজ্জ্বল হলুদ, গা তেলতেলে। কিন্তু গাছপাকা পেঁপে হলুদ হয় এত উজ্জ্বল হয় না। খোসা হয় খসখসে। নীচের দিক থেকে পাকা শুরু হয়ে উপরে যায়। ফলে পুরোটা সমান হলুদও হয় না। কিন্তু কার্বাইডে পাকানো পেঁপে পুরোটাই সমান গাঢ় হলুদ রঙ হয়।
আরও পড়ুন : গরম ভাতে ডিমের মালাইকারি, বর্ষার দিনে জমবে ভালো
গন্ধে যায় চেনা: গাছপাকা পেঁপে (Papaya) নাকের সামনে নিল মিষ্টি গন্ধ পাবেন। অন্যদিকে রাসায়নিক বা কার্বাইডে পাকানো পেঁপেতে মিলবে কেমিক্যালের গন্ধ। পেঁপে হাতে নিলে কোথাও নরম কোথাও শক্ত লাগলে বুঝতে হবে তা কার্বাইডে পাকানো। গাছপাকা পেঁপে সমান ভাবে পাকবে।
আরও পড়ুন : ট্রেনে জানলার ধারের সিট কার? টিকিট কাটার আগে রেলের এই নিয়ম জেনে রাখুন
পেঁপে কাটার পর ভেতরের রঙ গাঢ় কমলা হলে এবং বীজপুষ্ট হলে তার মানে তা গাছপাকা। পেঁপের ভেতরে যদি রঙ ফ্যাকাশে হয়, বুঝতে হবে সেটি কার্বাইডে পাকানো।













