বাংলা হান্ট ডেস্ক : নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে মিলন প্রধানের (Milan Pradhan) জামিন নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন আইনি জটিলতা। কলকাতা হাই কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েছিল রাজ্য সরকার। ভোটের আগেই সেই মামলার শুনানি চেয়েছিল তারা। কিন্তু বৃহস্পতিবারই বিষয়টি শুনতে রাজি হল না শীর্ষ আদালত।
মিলনের জামিন নিয়ে রাজ্যের আবেদন শুনল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)
মিলন প্রধান নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া পুরনো মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ তাঁকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী জামিন দেন। সেই সিদ্ধান্তের পরেই তা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে রাজ্য।
বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি উল্লেখ করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। রাজ্যের বক্তব্য ছিল, এটি খুনের মামলায় দেওয়া অন্তর্বর্তী জামিনের বিরুদ্ধে করা আবেদন। সোমবার নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন রয়েছে। ফলে ভোটের আগে শুনানি না হলে রাজ্যের আবেদনের কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যাবে বলে আদালতে সওয়াল করেন তিনি।
তবে বৃহস্পতিবার মামলাটি নেওয়ার বিষয়ে সায় দেয়নি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। আদালতের তরফে জানানো হয়, ওইদিন জরুরি ভিত্তিতে শুনানি সম্ভব নয়। প্রয়োজনে সোমবার মামলাটি তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে বলে জানানো হয়। এরপরও দ্রুত শুনানির জন্য ফের আবেদন জানান সলিসিটর জেনারেল। তখন প্রধান বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “আমরা আশ্বাস দিতে পারি, সোমবারই তা খারিজ করব।” শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য মামলাটি তালিকাভুক্ত করার আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

আরও পড়ুন : বড় সিদ্ধান্ত তারেক সরকারের! বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় পাঁচ দিন ছুটি, হিন্দু-বৌদ্ধদের উৎসবে বাড়ল অনুদান
উল্লেখ্য, মিলন প্রধানকে জামিন দেওয়ার সময় মামলার পুরনো হওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলির বয়স প্রায় ১৯ বছর। পাশাপাশি মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে পর্যন্ত মিলন প্রধান হেফাজতে ছিলেন না বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগের বিষয়টিও জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় আসে।ফলে হাই কোর্টের সেই নির্দেশ আপাতত বহালই থাকছে।













