সাম্মানিক বাবদ বরাদ্দ প্রায় ২০০ কোটি, এই কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা রাজ্যের

Published on:

Published on:

West Bengal government allocated 200 crore for these workers
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : জনগণনা ২০২৭-এর কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের পারিশ্রমিক দেবে রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। এবার জনগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের সাম্মানিক মেটাতে ১৯৭ কোটি ২০ লক্ষ ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকারের তরফে। ২২টি জেলা এবং ৭টি পুর নিগমের জন্য এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের অধীনে থাকা জনগণনা সেল ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করেছে।

জনগণনায় যুক্ত কর্মীদের সাম্মানিক দেবে রাজ্য সরকার (West Bengal Government)

সরকারি সূত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট জেলা ও পুর নিগমের ‘প্রধান জনগণনা আধিকারিক’-দের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফারের মাধ্যমে বরাদ্দের টাকা পৌঁছে যাবে। সেখান থেকেই জনগণনার কাজে যুক্ত বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের সাম্মানিক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ফিল্ড অফিসার, নোডাল অফিসার-সহ জনগণনার বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা কর্মীরা কত টাকা করে সাম্মানিক পাবেন, সেই হার আগেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এবার সেই নির্ধারিত হারে অর্থ মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দও হয়ে গেল। সরকারি শিক্ষক এবং কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ নিয়মিত সরকারি দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের জনগণনার অতিরিক্ত কাজও করতে হচ্ছে।

২০২৭-এর জনগণনা অবশ্য একবারে হচ্ছে না। গোটা প্রক্রিয়াকে ভাগ করা হয়েছে দুই পর্যায়ে। প্রথম দফায় বাড়ির তালিকা তৈরি এবং প্রতিটি বাড়ি ও আবাসনের পরিসংখ্যান সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে হবে জনসংখ্যা গণনা। এবারের বিশেষ সংযোজন জাতিভিত্তিক তথ্য সংগ্রহও। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকেই এই পর্যায়ের কাজ শুরু হওয়ার কথা।

উল্লেখ্য, জনগণনার কাজে স্কুলশিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে এর আগে যথেষ্ট টানাপোড়েন হয়েছিল। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত পঠনপাঠনের দায়িত্বের বাইরে গিয়ে এই কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্তে আপত্তি ওঠে। তাঁদের বলা হয়েছিল, স্কুলের কাজ শেষ করার পর সপ্তাহান্ত বা ছুটির দিনে জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই নির্দেশ ঘিরেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

West Bengal government allocated 200 crore for these workers

আরও পড়ুন : অক্টোবরে টাকা পেলেই ডিসেম্বর অবধি কিস্তি নিশ্চিত? অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আপডেট

কলকাতা হাই কোর্টে মামলাটির শুনানি হয় বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে। শিক্ষক এবং প্রশাসনের মধ্যে তৈরি হওয়া জটিলতার পর স্কুলশিক্ষা অধিকর্তার দপ্তর আগের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে স্পষ্ট করা হয়, স্কুলের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোনও শিক্ষককে জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে হলে সেই সময়কে ‘অন ডিউটি’ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।