Durga Puja 2026 Live Updates

কে ‘আসল তৃণমূল’? ৩০ অক্টোবর মুখোমুখি মমতা-ঋতব্রত শিবির, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন

Published on:

Published on:

Election Commission will take the final decision about 'real Trinamool'
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরের মধ্যে বিরোধের নিষ্পত্তি কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর দাবি খতিয়ে দেখতে এবার একই দিনে দুই পক্ষকে শুনবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। আগামী ৩০ অক্টোবরের এই শুনানিকে ঘিরে তাই নতুন করে গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কার দাবি মান্যতা পাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তৃণমূলের দুই শিবিরের নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই বিরোধ মেটানোর প্রক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ করছে কমিশন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর শীর্ষ আদালত দুই শিবিরকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য এক মাস সময় বেঁধে দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে দুপক্ষকে। নথি জমা দেওয়ার পরেই শুনানির মাধ্যমে তাদের দাবি ও বক্তব্য আরও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার সুযোগ তৈরি হবে।

নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে আগামী ৩০ অক্টোবর দুপুর সাড়ে তিনটেয় শুনানি নির্ধারিত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির—দুপক্ষকেই একসঙ্গে সেখানে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। এর আগে কমিশন দুই গোষ্ঠীর বক্তব্য আলাদা আলাদাভাবে শুনেছিল। এবার একই শুনানিতে দুই পক্ষের অবস্থান সামনে আসবে। ফলে তৃণমূলের নাম ও স্বত্ব নিয়ে চলা বিরোধের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষেত্রে দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

এদিকে, রাজনৈতিক দলের নথিপত্র জমা দেওয়াকে ঘিরে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। এনসিপিআই-কেও লোকসভার স্পিকারের পাঠানো নোটিসের জবাব দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে ৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়ে আবেদন করেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Election Commission will take the final decision about 'real Trinamool'

আরও পড়ুন : CPM-এর বুকস্টলে হাইকোর্টের সবুজ সংকেত, ফের আদালতে রাজ্য সরকার

উল্লেখ্য, এরপর জবাব জমা দেওয়ার শেষ তারিখ বাড়িয়ে ২০ অক্টোবর করা হয়েছে।এই ক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ গুরুত্বপূর্ণ। এনসিপিআইকে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য এক মাস সময় দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। সেই সময়সীমার কথা উল্লেখ করেই অতিরিক্ত সময় চাওয়া হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে।