Durga Puja 2026 Live Updates

পুজোয়ে পোলাও মাংসের ভোজ! দরিদ্রদের মুখে হাসি ফোটাতে কৌস্তভ বাগচীর বিশেষ উদ্যোগ

Published on:

Published on:

Koustav Bagchi’s special initiative to bring smiles to the under poverty people
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : দুর্গাপুজোর উৎসব শুধু মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, অনেকের কাছে এই সময়টুকু পরিবারের সঙ্গে একটু ভালো খাবার খাওয়ারও সুযোগ। কিন্তু পকেটের টান থাকলে উৎসবের সেই ছোট ছোট ইচ্ছেও পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই মানুষগুলির কথা মাথায় রেখেই পুজোর চারদিন বিনামূল্যে খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করলেন বারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী(Koustav Bagchi)।

কৌস্তুভ বাগচীর (Koustav Bagchi) উদ্যোগে পুজো স্পেশাল এমএলএ ক্যান্টিন

কৌস্তভ বাগচীর উদ্যোগে এবং বঙ্গস্পন্দন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় চালু হয়েছে ‘পুজো স্পেশাল এমএলএ ক্যান্টিন’। আয়োজকদের লক্ষ্য, এই কর্মসূচির মাধ্যমে মোট ২০ হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া। শনিবার সপ্তমীর দিন বারাকপুরের সুকান্ত সদন প্রেক্ষাগৃহে এই পরিষেবার সূচনা হয়। উদ্বোধনের সময় খাবারের স্বাদ নিজে পরীক্ষা করে দেখেন বিধায়ক। আয়োজকদের দাবি, শুধু খাবার বিতরণই নয়, তার প্রস্তুতি ও পরিবেশনের ক্ষেত্রেও পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিদিন আনুমানিক চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষকে খাবার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ, পুজোর ব্যস্ততার মধ্যেও যাতে অভাবী মানুষ অন্তত একবেলা পছন্দের খাবার খেতে পারেন, সেই ব্যবস্থাই করা হয়েছে। এই পরিষেবা পেতে বারাকপুর বা টিটাগড়ের বাসিন্দাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি কেন্দ্রে যেতে হবে। বারাকপুরের সুকান্ত সদন, বড়পোল মোড়, কালিয়ানিবাস এবং নোনা চন্দনপুকুর বাজারে খাবার বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি টিটাগড়ের কাওয়ারিয়াসন ও ব্রহ্মস্থান এলাকাতেও থাকবে খাবার পাওয়ার ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে দুই পুরসভা এলাকায় ছটি কেন্দ্র থেকে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

Koustav Bagchi’s special initiative to bring smiles to the under poverty people

আরও পড়ুন :‘যাঁরা দায়ী, তাঁদের…’, চোরবাগানের দুর্ঘটনায় বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

মেনুতে রাখা হয়েছে পোলাও ও মাংস। তবে নবরাত্রির রীতি বিবেচনা করে টিটাগড়ের কেন্দ্রগুলিতে মাংসের বদলে পনিরের পদ পরিবেশন করা হবে। আয়োজকদের এই ব্যবস্থায় উৎসবের খাবারের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় ভাবনাকেও গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে। কেন এই আয়োজন, তা জানাতে গিয়ে কৌস্তভ বাগচী বলেন, “যাঁরা ভালো খাবার খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামর্থ্য নেই, পুজোর দিনে তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য।” পুজোর আলো, নতুন পোশাক কিংবা জমিয়ে খাওয়াদাওয়া—উৎসবের আনন্দের রূপ আলাদা হতে পারে, কিন্তু সেই আনন্দে ভাগ বসানোর অধিকার সবারই। বারাকপুরের এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেই বার্তাই তুলে ধরতে চাইছেন বিধায়ক।