বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারি কর্মীদের (Dearness Allowance) বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মামলায় ইন্দু মলহোত্রের নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা করেছে। তবে সেই রিপোর্ট নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। অভিযোগ, কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ নেই শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ কর্মীদের।
বকেয়া ডিএ মেলেনি, ক্ষুব্ধ সরকারি কর্মীরা | Dearness Allowance
শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ কর্মীদের দাবির উল্লেখ না থাকায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠনগুলি। এই বিষয়ে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল পূর্বের প্রতিশ্রুতি মতো বকেয়া না মিটিয়ে মনিটরিং কমিটির রিপোর্ট রাজ্য বিবেচনা করছে সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ইন্দু মলহোত্র কমিটি সুপ্রিম কোর্টে তৃতীয় রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় উল্লেখ করা হবে, এই যুক্তিতে ডিএ মামলার সাথে যুক্ত সব কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠনের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল। মামলাকারী সংগঠন তথ্য-সহ সমস্ত কিছু দেওয়া সত্ত্বেও মলহোত্র কমিটি সুপ্রিম কোর্টে শিক্ষক শিক্ষাকর্মী-সহ গ্রান্ট ইন এইড কর্মীদের কথা একেবারেই উল্লেখ করেনি।
তার কথায়, “এটা আমাদের সাথে অন্যায় ও অবিচার হচ্ছে। তা ছাড়া রাজ্য সরকার মলহোত্র কমিটির রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে থাকবে কেন! তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তো ছিল বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার। সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে পরিণতি ভাল হবে না।’’

আরও পড়ুন: ডাল লেকের ধাঁচে শিকারা আসবে সুটুঙ্গায়? দশমীর অনুষ্ঠান থেকে বড় ঘোষণা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীর
মূলত, পোষিতদের অভিযোগ, মনিটরিং কমিটির তরফে রিপোর্ট তৈরির আগে মামলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই সময় জানানো হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতে তৃতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় সেই তথ্য বিবেচনা করা হবে। কিন্তু সেই দাবির প্রতিফলন রিপোর্টে নেই বলেই অভিযোগ ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ কর্মীদের। এতেই ক্ষুব্ধ এই সরকারি কর্মীরা। আগামী ২৭ অক্টোবর ডিএ মূল মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত। তার আগে মনিটরিং কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা।














