বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী করে তুলতে এবার বড় পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রাথমিক স্তর থেকেই বিদ্যালয়ে বিতর্ক, কুইজ, তাৎক্ষণিক বক্তৃতার মতো প্রতিযোগিতা আয়োজনের কথা বললেন তিনি। পাশাপাশি আগামী শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় একাধিক বদলের ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
পড়ুয়াদের রাষ্ট্রবাদী করে তুলতে বড় পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর | (Suvendu Adhikari)
এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘ককরোচ’দের আটকাতে পড়ুয়াদের রাষ্ট্রবাদী করে তুলতে হবে। তাঁদের মধ্যে রাষ্ট্রবাদী চেতনা গড়ে তুলতে হলে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন ধরণের সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। পুঁথিগত পড়াশোনার বাইরে বেরিয়ে পড়ুয়াদের বিতর্ক, কুইজ ও তাৎক্ষণিক বক্তৃতার মতো প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া উচিত। বছরে অন্তত তিন দিন করে এই ধরণের কর্মসূচি আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ টোল প্লাজাগুলির পার্কিং ও শৌচাগারের মান আরও উন্নত! নতুন নির্দেশিকা জারি করল NHAI
পাশাপাশি স্কুলে নানা ধরণের বাদ্যযন্ত্র চর্চার উপরেও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই পড়ুয়াদের হারমোনিয়াম, তবলা, সেতার, গিটার, খঞ্জনি, মৃদঙ্গের মতো বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে পরিচিতি করানো উচিত। এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশ সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
শুভেন্দু বলেন, “স্কুলে প্রাথমিক স্তর থেকে হারমোনিয়াম, তবলা, সেতার, গিটার, খঞ্জনি, মৃদঙ্গ… এই সাংস্কৃতিক প্রতিভাও দরকার। পড়ুয়াদের রাষ্ট্রবাদী করে তুলতে প্রত্যেক বছর অন্তত তিনদিন করে বিতর্ক, কুইজ, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা এগুলো সাংস্কৃতিক ইভেন্টের মধ্যে থাকা প্রয়োজন। তাহলেই এসব আরশোলা, ছারপোকা, টুকরে টুকরে গ্যাং, দিমাগি নকশাল… এসব যে করোনা ভাইরাসের মতো চেষ্টা করছে, এদের স্প্রে করার জন্য হিট লাগত না। এটার দরকার আছে।“

এরপরেই রাজ্যের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি প্রসঙ্গে বাম ও তৃণমূলকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “৩৪ বছরের বাম শাসন ও ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনে রাজ্যের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নষ্ট হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনসিসি তুলে দিয়েছেন। এটা কেউ তুলে দেয়? মাকে আম্মা শিখিয়েছে। রংধনু, ফুফু এসব কী? সব বদলের দরকার আছে।“
রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই শিক্ষাব্যবস্থার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এবার পড়ুয়াদের রাষ্ট্রবাদী করে তুলতে বড় পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আগামী শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।














