চন্দন তিলক পরায় ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ! স্কুলের বিরুদ্ধে মামলা ছাত্রের বাবার

Published on:

Published on:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : কপালে তিলক চন্দন পরায় আপত্তি স্কুলের। এবার সেই স্কুলের বিরুদ্ধেই মামলা করলেন ছাত্রের বাবা। এই ঘটনা অবশ্য এদেশের নয়। এ ঘটনা পশ্চিম লন্ডনের এক প্রাইমারি স্কুলের (Primary School)। স্বাধীন ভাবে ধর্মাচরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি মামলা করেন স্থানীয় ওই প্রাইমারি স্কুলের বিরুদ্ধে।

স্কুলের (Primary School) বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা

জানা যাচ্ছে, পশ্চিম লন্ডনের ভাইকারস গ্রিন প্রাইমারি স্কুলে পড়ত ওই ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দু ছাত্রটি। ছোট থেকেই সে স্বামীনারায়ণের ভক্ত। বাড়িতেও নাকি সে চন্দন তিলক পরে থাকত। স্কুল যাওয়ার সময়েও তার কপালে থাকত চন্দন তিলক। কিন্তু অভিযোগ, এ নিয়ে স্কুলে নানান প্রশ্ন, কটুক্তির সম্মুখীন হতে হয় ওই ছাত্রকে। বাধ্য হয়ে গত বছর ওই স্কুল থেকে ছেলেকে ছাড়িয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করান তার অভিভাবকরা।

Indian origin student family sued London primary school

কী অভিযোগ অভিভাবকের: এবার সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন ওই ছাত্রের বাবা। তাঁর অভিযোগ, ছেলে তিলক পরায় স্কুল কাউন্সিল তাঁকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছিল। এতে ছেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় বাবা মা বাধ্য তাকে অন্য স্কুলে ভর্তি করায়। ছাত্রের বাবার দাবি অনুযায়ী, এই ঘটনায় সন্তানের পড়াশোনার খরচ বাবদ ২৫ হাজার পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হবে অভিযুক্ত প্রাইমারি স্কুলকে (Primary School)।

আরও পড়ুন : আলোর কারসাজিতে ফুটে উঠেছে অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে রামায়ণ, বারাসতের কালীপুজো এবার ‘রামময়’

কী বলছেন আইনজীবী: লন্ডনের ‘আশ্রয়’ নামে এক আইনি পরামর্শদাতা সংস্থার মাধ্যমে মামলা করেন ওই ছাত্রের বাবা। এ বিষয়ে আইনজীবী বলেন, এটি একটি স্কুল বা একজন ছাত্রের নির্দিষ্ট মামলা নয়। এই ঘটনা আসলে এদেশে স্বাধীন ভাবে ধর্মাচরণের পরিপন্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে যা আইনবিরুদ্ধ। বিশেষত একজন ছাত্রের পড়াশোনা চলাকালীন তাঁর কোনও বিশ্বাসেই বাধা দেওয়া যায় না।

আরও পড়ুন : কালীপুজোর পরদিন সোমবার কম চলবে মেট্রো, বিজ্ঞপ্তি জারি কর্তৃপক্ষের

তিনি আরও বলেন, ব্রিটেনে প্রতিটি শিশুর স্বাধীন ভাবে বড় হওয়ার অধিকার রয়েছে। গোটা দেশে প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু নাগরিক রয়েছে। তাঁদের ধর্মবিশ্বাসকে আঘাত করা হয়েছে। আদালত শিশুদের স্বাধীনতা রক্ষার দিকটি ভেবেই রায় দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।