বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা (Poush Mela 2026) ঘিরে পর্যটকদের ব্যাপক উৎসাহ থাকে। ঐতিহ্যবাহী এই মেলা দেখতে সেখানে ছুটে যান অনেকে। এই বছরের পৌষমেলার প্রস্তুতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, গত বছরের মতো এবারও ছয়দিনের জন্য এই মেলা আয়োজিত হবে।
১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পৌষমেলার স্টল বুকিং | (Poush Mela 2026)
সম্প্রতি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Visva Bharati University) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সভাকক্ষে পৌষমেলা নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ, ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায়, বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন ও জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বুন্দেশ। পাশাপাশি ভার্চুয়ালি যোগদান করেছিলেন বোলপুরের মহকুমাশাসক ব্রততী দত্ত, এসডিপিও ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও বীরভূম জেলা প্রশাসনের অন্যান্য একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক।

বৈঠক শেষে বিশ্বভারতীর উপাচার্য জানান, ২০২৫ সালের মতো এবারও ছয়দিনের পৌষমেলা বসবে। অনলাইনেই স্টল বুকিং হবে। আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে স্টল বুকিং প্রক্রিয়া শুরু হবে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের সুবিধার দিকে নজর রেখে ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ কপালে হিরের টিপ, গায়ে ১১০ কেজি গয়না! বড়মাকে দেখতে নৈহাটিতে উপচে পড়া ভিড়
বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের পৌষমেলায় বাংলার ক্ষুদ্র ও হস্তশিল্পীদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলার গ্রামীণ শিল্প সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে ও শিল্পীদের উৎসাহ প্রদানের জন্য এই উদ্যোগ।
এবারের পৌষমেলাকে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বানানো হচ্ছে। সেখানে মেলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে। মেলা উপলক্ষে দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বরাবরের মতো এবারও শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লি মাঠে পৌষমেলা বসবে। আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা শেষ হওয়ার দু’দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ মাঠ পরিষ্কার করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
শান্তিনিকেতনের তথা বীরভূমের ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে পৌষমেলা। ইতিমধ্যেই এবারের মেলার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও বীরভূম জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এবারের মেলা আরও বেশি নিরাপদ, আকর্ষণীয় ও সুশৃঙ্খল হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।












