বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিগত কিছুদিন যাবৎ ভারতীয় রেল (Indian Railways) কমবেশি চব্বিশ ঘন্টাই শিরোনামে রয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে যে সমস্ত রেলের প্রকল্পে আটকে ছিল সেগুলি এক এক করে জট খুলছে। কাজ চালু হওয়ার পাশাপাশি নতুন করে রেলপথ পাতা হেব ও বাংলার বিভিন্ন প্রান্তকে রেলপথে যুক্ত হবে। তবে এরই মাঝে জানা যাচ্ছে, জনপ্রিয় কিছু স্টেশনের নাম বদলে যেতে পারে।
রাজ্যে বদলে যাচ্ছে স্টেশনের নাম
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ছবিঘুরে বেড়াচ্ছে যেখানে দাবি করা হয়েছে বিজেপি আসার পর বিভিন্ন রেল স্টেশনের নামের বদল করা হবে। ইতিমধ্যেই নাকি কোন স্টেশনের নাম বদলাবে ও নতুন নাম কি হবে তা নিয়ে রেলের কাছে প্রস্তাবও রাখা রয়েছে। এবার অপেক্ষা ভারতীয় রেলের সম্মতি থাকবে।
কেন হটাৎ রেল স্টেশনের নাম বদলানো প্রয়োজন?
স্টেশনের নাম পরিবর্তনের পিছনে এক নয় একাধিক কারণ রয়েছে। তবে নয়া নামকরণের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক, ধর্মীয় পরিচয় থেকে শুরু করে ঐতিহাসিকতা সবটাই মানা হবে। যে স্টেশনগুলোর নাম পরিবর্তিত হবে আগামী মাসেই। যেমন বর্ধমান, কাটোয়া থেকে আলুবাড়ি রোড, অম্বিকা কালনা, তারকেশ্বর, নবদ্বীপ ধাম, শান্তিপুর, আজিমগঞ্জের মত একাধিক স্টেশন। অবশ্য কিছু ক্ষেত্রে স্টেশনের নামে কোনো বদল আনার প্রয়োজন নেই বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ Sealdah Station : শিয়ালদহ স্টেশনের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব, কী হতে পারে নতুন নাম?
এদিকে ফেসবুকে করা ওই পোস্ট অনুযায়ী, বর্ধমানের নাম বদলে হতে পারে মহাবীর ধাম জংশনা। কাটোয়া এর নাম আজয়পুর জংশন, আলুবাড়ি রোড স্টেশনের নাম বদলে রাখা হয় ঈশ্বরপুর আলুবাড়ি জংশন। তারকেশ্বর স্টেশনের নাম দেওয়া হতে পারে শ্রী তারকেশ্বর ধাম, অম্বিকা কালনা হয়ে যেতে পারে শ্রী অম্বিকা দেবী কালনা। জঙ্গিপুর হতে পারে জঙ্গিপুর রঘুনাথগঞ্জ। যদিও কোনো সরকারি বিজ্ঞপ্তি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই জানা যায়, শিয়ালদহ ডিভিশনের খড়দহ ও সোদপুর স্টেশনের নাম পরিবর্তন হতে পারে। সূত্রমতে, নতুন নামের মধ্যে খড়দহ স্টেশনের নাম করা হতে পারে ‘শ্রীপাট খড়দহ’। আর সোদপুরের নাম পাল্টে ‘পানিহাটি’ করে দেওয়া উচিত। সেই মর্মে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে রেলমন্ত্রকের কাছে।














