রাজ্যের মহিলাদের জন্য চালু হওয়া অন্নপূর্ণা যোজনাকে (Annapurna Yojana) কেন্দ্র করে উৎসাহ ক্রমশ বাড়ছে। গত ৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া। একই সঙ্গে বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরেও আবেদনপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। বহু মানুষ ইতিমধ্যেই ফর্ম পূরণ করেছেন। তবে আবেদন জমা দেওয়ার পর অধিকাংশেরই একটাই প্রশ্ন— টাকা কবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছবে? ইতিমধ্যেই সেই দিনক্ষণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কী কী কারণে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম রিজেক্ট হতে পারে (Annapurna Yojana)
আধার নম্বর বা ভোটার কার্ড (EPIC) নম্বর দিলে সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে, ভোটার কার্ডটি ভ্যালিড কিনা বা ট্রাইব্যুনালে কোনও কেস আছে কিনা, তা কঠোরভাবে চেক করা হবে। যদি আপনার আয় এমন হয় যে আপনাকে ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর দিতে হয়, তবে আপনি এই সুবিধা পাবেন না। আপনি প্যান কার্ড নম্বর লুকোলেও আধার লিঙ্কের মাধ্যমে তা ধরা পড়ে যাবে (Annapurna Yojana)।

আরও পড়ুন: দার্জিলিংকে টেক্কা দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের এই অফবিট গন্তব্য! নাম কালেজ ভ্যালি
এছাড়াও সরকারি চাকরি বা পেনশন: সরকারি কর্মচারী বা সরকারি পেনশনভোগীরা এই প্রকল্পের ৩০০০ টাকা পাওয়ার যোগ্য নন। তথ্য গোপন করলেও তা ভেরিফিকেশনে বাতিল হবে। শিশুর টিকাকরণ ও স্কুল: পরিবারে শিশু থাকলে তার সঠিক টিকাকরণ না হলে অথবা সরকার অনুমোদিত নয় এমন স্কুলে পড়লে আবেদন বাতিল হতে পারে।
কিভাবে চেক করবেন ফর্ম অনলাইনে এন্ট্রি হয়েছে কিনা?
প্রথমে socialregistry.wb.gov.in পোর্টালে যান। ‘Access Citizen Portal’-এ ক্লিক করুন। আপনার ডিস্ট্রিক্ট এবং ফোন নম্বর দিয়ে OTP ভেরিফাই করে লগইন করুন।এবার ঠিক নতুন ফর্ম ফিলাপের মতো করে আপনার আধার নম্বর ও অন্যান্য তথ্য পূরণ করুন। ফর্ম ‘Save Draft’ করার সময় যদি লেখা আসে “An application has already been registered… matching the Aadhaar number”, তবে নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনার অফলাইন ফর্মটি অনলাইনে এন্ট্রি হয়ে গেছে (Annapurna Yojana)।













