দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেও বাইকে ‘ব্রেক’, লাগু একাধিক বিধিনিষেধ

Published on:

Published on:

Bikes restrictions before west bengal assembly election second phase.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটের মুখে (West Bengal Assembly Election) বাংলায় প্রশাসনিক কড়াকড়ি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছে। বিশেষ করে মদের বিক্রি ও মোটরবাইকের ব্যবহার ঘিরে কড়া নিয়ম কার্যকর হওয়ায় তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও চর্চা দুটোই বেড়েছে।

ভোটে (West Bengal Assembly Election) বাইক নিষেধাজ্ঞা:

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে মোটরবাইক চলাচল নিয়েও একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। যদিও আদালতে মামলা হওয়ার পর সেই নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবুও ভোটের আগে ফের একবার সমস্ত নির্দেশিকা মনে করিয়ে দিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সিইও-এর দপ্তর।

আগামীকাল ২৯ এপ্রিল, বুধবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। তার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে সাতটি জেলায় একাধিক কড়া বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোনও ধরনের মোটরবাইক মিছিল বা দলবদ্ধ বাইক চালানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়াও, ভোটের ১২ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বাইকের পিছনে আরোহী নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। যদিও কিছু জরুরি ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। যেমন—চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে যাতায়াত, পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বা স্কুল থেকে শিশুদের আনা-নেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় কাজে অনুমতি থাকবে।

ভোটের দিন, অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মোটরবাইকে যাতায়াত করা যাবে। তবে এই ছাড় শুধুমাত্র ভোটদান বা জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য থাকবে। অন্যদিকে, ওলা, উবার, জোম্যাটো, সুইগির মতো পরিষেবা সংস্থার কর্মী এবং যথাযথ পরিচয়পত্রসহ অফিসগামী মোটরবাইক আরোহীদের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। তবে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই বৈধ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক।

Bikes restrictions before west bengal assembly election second phase

 

আরও পড়ুন : ভোটের দিন বন্ধ হবে চপ-মুড়ি-বিরিয়ানি বিলি! চলবে না আড্ডাও, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

ভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমিশনের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্যে দিয়েই শান্তিপূর্ণ ভোট সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে।