ফুল ডিউটি করেও ন্যায্য থেকে বঞ্চিত! ECL-এর অধীনে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের বঞ্চনার অভিযোগে সরব বিজেপি নেতা

Published on:

Published on:

ECL
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক স্পষ্ট নির্দেশিকা। তবে খাতায়-কলমেই! তা মানা হচ্ছে না বলেই উঠছে অভিযোগ। কথা হচ্ছে ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ECL)-এর অধীনে ঠিকাদারদের ‘বারবাড়ন্ত’ নিয়ে। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক ন্যূনতম মজুরি বিজ্ঞপ্তি এবং হাই পাওয়ার কমিটির নির্দেশিকার মাধ্যমে ঠিকাদারি শ্রমিক-ড্রাইভারসহ-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, ওভারটাইম এবং আইনসিদ্ধ সমস্ত সুবিধার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকলেও ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড-এর অধীনে ঠিকাদাররা সেই নিয়ম মানছে না। অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতা জিতেন চ্যাটার্জী (Jiten Chatterjee)।

নির্দেশ রয়েছে, ঠিকাদারি শ্রমিক-ড্রাইভারসহ-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, ওভারটাইম এবং আইনসিদ্ধ সমস্ত সুবিধা পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ECL)-এর অধীনে ঠিকাদাররা প্রকাশ্যে সেই নিয়ম লঙ্ঘন করছে। ফলে কর্মীরা সেই সমস্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গেরুয়া বিধায়কের অভিযোগ এমনটাই। গোটা ঘটনায় তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে ECL-এর অধীনের ঠিকাদারদের।

আর কী অভিযোগ?

কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে এদিন সমাজমাধ্যমে বিজেপি নেতার আরও অভিযোগ তুলে লিখেছেন, ‘ ড্রাইভারদের ১২ ঘণ্টার ডিউটির জন্য মাত্র ২৭,৬০০ এবং ২৪ ঘণ্টার ডিউটির জন্য ২৮,৬০০ প্রদান করা হচ্ছে, যা আইনগত মজুরি কাঠামোর তুলনায় অত্যন্ত কম। ECL-এর অধীনে কর্মরত ৫০,০০০-এর বেশি চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক এই অবৈধ ও অমানবিক ব্যবস্থার শিকার।’ এক কথায় শ্রমিকদের অধিকার হরণের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা।

আরও পড়ুন: আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আবহাওয়ার বড় ‘গেম’! দক্ষিণবঙ্গ নিয়ে আগাম আপডেট দিল আবহাওয়া দপ্তর

গোটা বিষয়টিকে প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর মতে, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও পর্যবেক্ষণের অভাবের কারণেই ঠিকাদাররা প্রকাশ্যে নিয়ম ভঙ্গ করার এত সাহস পাচ্ছে। বিধায়ক স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘আমরা ঠিকাদার এবং ECL কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মজুরি প্রদানের দাবি জানাচ্ছি, অন্যথায় শ্রমিকরা তাদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।’ এবার কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার।