বাংলাহান্ট ডেস্ক: স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বড় গাফিলতির অভিযোগ। গুণমান যাচাইয়ের পরীক্ষায় এবার ফেল করল রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট ইঞ্জেকশনের সূচ (Injection), তুলো, ক্যাথিটারের মতো জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম। জানা যাচ্ছে, ফরিদাবাদের এক সংস্থার তৈরি হাইপোডারমিক সূচ কলকাতার কেন্দ্রীয় ড্রাগ ল্যাবের পরীক্ষায় ফেল করেছে। অন্যদিকে হিমাচলের সংস্থায় তৈরি তুলো ফেল করেছে গুণমানের পরীক্ষায়। এছাড়াও হরিয়ানার সংস্থায় তৈরি বেলুন ক্যাথিটার ফেল করেছে গুয়াহাটির কেন্দ্রীয় ড্রাগ ল্যাবের পরীক্ষায়।
বহু ওষুধ ইঞ্জেকশন (Injection) ফেল করেছে পরীক্ষায়
জানা যাচ্ছে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২১ ধরণের প্যারাসিটামল এবং প্যারাসিটামলের কম্পোজিশন ফেল করেছে। এই সমস্ত ওষুধের ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ড্রাগ কন্ট্রোলের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেল করা চিকিৎসা সরঞ্জামের তালিকায় রয়েছে হিমাচল প্রদেশে তৈরি তুলো। হরিয়ানার সংস্থার তৈরি বেলুন ক্যাথিটার ফেল করেছে ব্যাকটেরিয়াল এনডোটক্সিন পরীক্ষায়।

প্যারাসিটামল ফেল করেছে পরীক্ষায়: এছাড়াও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৯ টি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার ওষুধ (Injection) টেলমিসার্টন ফেল করেছে পরীক্ষায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২১ ধরণের প্যারাসিটামল এবং প্যারাসিটামলের কম্পোজিশন ফেল করেছে পরীক্ষায়। এছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার তৈরি ৪ ধরণের রিঙ্গার ল্যাকটেড এবং সাধারণ স্যালাইনও ফেল করেছে গুণমানের পরীক্ষায়।
আরও পড়ুন : এক সপ্তাহে বৃদ্ধি ২০ টাকা, এক পিস ডিমের দাম কত বাড়ল কলকাতায়?
ফেল করেছে একাধিক ইঞ্জেকশন: ফেল করেছে বিভিন্ন সংস্থার ২০ ধরণের অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট এবং ইঞ্জেকশন। অ্যাজিথ্রোমাইসিন, ডক্সিসাইক্লিন, অ্যামোক্সিসিলিনের মতো ওষুধ। ফেল করেছে জেনটামাইসিন, অ্যামিকাসিন এর মতো ইঞ্জেকশন।
আরও পড়ুন : বিজেপি ক্ষমতায় এলে বন্ধ মাছ-মাংস? এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে কী বললেন শামিম আহমেদ?
চলতি মাসে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে গুণমান যাচাইয়ের পরীক্ষায় ১৯৮ টি নানান ব্র্যান্ডের ওষুধ, ক্যাপসুল, ইঞ্জেকশন চিকিৎসা সরঞ্জাম ফেল করেছে। এই সমস্ত ওষুধের ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।












