বিজেপি ক্ষমতায় এলে বন্ধ মাছ-মাংস? এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে কী বললেন শামিম আহমেদ?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: বাংলার মসনদে পদ্মফুল ফোটানোর জন্য এবার সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়কে আটকাতে পালটা তৃণমূলের অস্ত্র বাঙালি অস্মিতা। বর্তমানে ভোট প্রচারে বাঙালির পছন্দের মাছ ভাতও অন্যতম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে তৃণমূল (Trinamool Congress)। আর এবার এই মাছ ভাত নিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন মগরাহাট পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী শামিম আহমেদ।

ভোট প্রচারে বেরোনোর সময় কী খান শামিম আহমেদ (Trinamool Congress)?

ভোটের মুখে রোজই বেরোতে হচ্ছে প্রচারে। এমতাবস্থায় সুস্থ থাকতে কী খাচ্ছেন প্রার্থীরা? বাংলাহান্টের সঙ্গে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে নিজের দুপুরের খাবারের মেনু শেয়ার করলেন শামিম আহমেদ। তৃণমূল প্রার্থী জানান, সকালে বাটার টোস্ট, ডিম সেদ্ধ কিছু ফল আর টক দই খেয়ে প্রচারে বেরোন তিনি। দুপুরে লাঞ্চে থাকে ভাত, টক ডাল, কুমড়োর ছক্কা বা আলুভাজা আর মাছ। শামিম জানান, অন্যান্য বাঙালির মতোই মাছ তাঁর পছন্দের।

Trinamool Congress candidate shamim ahmed took a dig at bjp

বিজেপিকে কটাক্ষ শামিম: শামিম বলেন, তৃণমূল (Trinamool Congress) বলে যার যা ইচ্ছা তাই খাবে। কিন্তু বিজেপির বক্তব্য, বাংলায় ক্ষমতায় আসলে মাছ মাংসই বন্ধ করে দেবে। যারা বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙে, বাংলার মনীষীদের অপমান করে, বাংলাকে ভাতে মারার চেষ্টা করছে, বাংলার প্রকল্প বন্ধ করে দিচ্ছে তারা বাংলাকে কী দেবে? মগরাহাট পশ্চিমের জন্য এতদিনে কী দিয়েছে বিজেপি, প্রশ্ন তুলছে জনতা।

আরও পড়ুন : আগামী মাস থেকে বন্ধ স্কুলে মিড ডে মিল? আশঙ্কায় স্কুল শিক্ষা দফতর

কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী: এসআইআর প্রসঙ্গও এনেছেন শামিম আহমেদ। তাঁর কথায়, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে বহু নাম বাদ গিয়েছে। অন্য রাজ্যে তো এটা হয়নি, প্রশ্ন তৃণমূল প্রার্থীর। তবে কিছু কিছু বিজেপি প্রার্থী তো হাতে মাছ নিয়েও প্রচারে নামছেন। শামিম আহমেদের কটাক্ষ, ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা এটা।

আরও পড়ুন : এক সপ্তাহে বৃদ্ধি ২০ টাকা, এক পিস ডিমের দাম কত বাড়ল কলকাতায়?

তাঁর কথায়, বাংলার সংষ্কৃতি, দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দিল্লির নেতাদের কোনও ধারণাই নেই। তাই তাঁরা বলে ফেলেছে। কিন্তু বাংলার মানুষ তো এটা মেনে নেবে না। তাই বাংলার বিজেপি কর্মীরা ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করছেন মাছ নিয়ে। এখানেই শেষ নয়। শামিম আহমেদ আরও বলেন, বাংলার মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করেন। তাই বিজেপির ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি তারা মেনে নেবে না।