বাংলা হান্ট ডেস্ক: কথাতেই আছে মাছে ভাতে বাঙালি। তবে এর সঙ্গে আরেকটি যে কথাটা যায়, তা হল ভাতের সঙ্গে মাছ থাকুক আর মাংস, বাঙালির পাতে ডাল থাকবেই। কারণ, ডাল-ভাতের মতো খাবার খেয়ে তৃপ্ত হন না, এমন মানুষ কমই আছে। তবে মুগ, মুসুর কিংবা বিউলি গরম ভাতের সঙ্গে ডাল খেতে বেশ ভালোই লাগে। এছাড়া এক বাটি ডালে বিরাট পুষ্টি মেলে। তা অন্য খাবারে পাওয়া যায় না। চলুন জেনে নেওয়া যাক সঠিক উপায়ে ডাল রান্নার কিছু নিয়ম।
ডাল রান্নার সময় অসাবধানতা প্রোটিন-ভিটামিন যাচ্ছে জলে (Cooking Tips)
অনেকেই প্রেশার কুকারে ডাল বানান। তবে প্রেশার কুকারে ডাল সেদ্ধ করে নিলেই কাজ শেষ হয় না। জলে না ভিজিয়ে কখনও রান্না করা চলবে না। কারণ জলে না ভেজালে ডালের কোনও পুষ্টি মিলবে না। জলে না ভেজানো ডাল রান্না করলে হজমের গণ্ডগোল দেখা দিতে পারে (Cooking Tips)।

আরও পড়ুন: মেঘ, বরফ আর ফুলের রঙে সাজানো কাঞ্চনজঙ্ঘার কোলে লুকিয়ে থাকা পাহাড়ি গ্রাম, জানেন ঠিক কোথায়?
পাশাপাশি ডালে ফাইটিক অ্যাসিড ও ট্যানিনের মতো বিভিন্ন ধরনের উপাদান থাকে। যা দেহে পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়। তাই ডাল রান্নার ৮-১২ ঘণ্টা আগে জলে ভেজান। তাহলে ডালের পুষ্টি আরও বাড়বে এবং তাড়াতাড়ি ডাল রান্নাও হয়ে যাবে।
ডাল তো সেদ্ধ করতেই হয়। কিন্তু বেশিক্ষণ ডাল ফোটানো উচিৎ নয়।প্রেশার কুকার হোক বা সসপ্যান, বেশি জল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ ডাল ফোটালে এর মধ্যে থাকা প্রোটিন নষ্ট হয়ে যায়। ডাল বেশি সেদ্ধ করলে এর মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড নষ্ট হয়ে যায়।
এছাড়াও এক কাপ ডাল যদি নেন, তাহলে দু’কাপ জল নিতে হবে। ওই জল মজে যাওয়া অবধি ডাল ফোটাতে হবে। তারপর ফের পরিমাণ বুঝে জল যোগ করতে হবে (Cooking Tips)।













