বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতায় সরকার বদলের পর থেকেই একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু হয়েছে। এবার গরু পাচার (Cow Smuggling) রুখতে কড়া অবস্থান নিল নতুন বিজেপি সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বেআইনি গরু হাট ও পাচারচক্রের উপর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছে যাতে কোনওভাবেই অবৈধভাবে গরু কেনাবেচা বা পাচারের ঘটনা না ঘটে।
গরু পাচার (Cow Smuggling) নিয়ে কড়া নজরদারি
রাজ্য প্রশাসনের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বেআইনি গরু হাট চলতে দেওয়া হবে না। কোথাও গোপনে এমন হাট বসছে কি না, সেই দিকেও বাড়তি নজর রাখতে বলা হয়েছে পুলিশকে। একই সঙ্গে এটাও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নজরদারি চালানোর সময় যাতে সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।সরকারের এই বার্তা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে জেলা পুলিশ প্রশাসনের কাছেও। রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের তরফে বিভিন্ন জেলাকে সতর্ক করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
গরু পাচার (Cow Smuggling) মামলাকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে রাজ্যের রাজনীতি বারবার সরগরম হয়েছে। এই মামলায় নাম জড়িয়েছিল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের। ২০২২ সালে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে এই মামলায় নাম ওঠে তাঁর মেয়েরও। তদন্তে নেমে ইডি তাঁকেও গ্রেফতার করে। বাবা ও মেয়ে দু’জনকেই তিহাড় জেলে থাকতে হয়েছিল। পরে অবশ্য দু’জনেই জামিন পান।
এরই মধ্যে মালদহ থেকেও সামনে এসেছে গরু পাচারের (Cow Smuggling) অভিযোগ। গাজোলের কদুবাড়ি এলাকার ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের বাসস্ট্যান্ডের কাছে তিনটি গাড়ি আটক করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, গাড়িগুলিতে গরু ভরে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্থানীয়দের দাবি, তিনটি গাড়িতে মোট ১৬টি গরু ছিল। একটি গাড়িতে ৮টি, অন্যটিতে ৫টি এবং তৃতীয় গাড়িতে ৩টি গরু ছিল বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আয়ুষ্মান থেকে চাকরি, প্রথম বৈঠকেই একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
এলাকার বাসিন্দা মিন্টু সাহার দাবি, বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে সেগুলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল (Cow Smuggling)। সন্দেহ হওয়ায় গ্রামবাসীরা গাড়িগুলি আটকে দেন। এরপর পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।













