বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) আগে ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট বাজেট বাজেটে (Dearness Allowance) রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকার তরফে। তবে ঘোষণাই সার। সরকার এখনও ডিএ প্রদান করছে না বলে অভিযোগ উঠছে। কবে বর্ধিত ৪% ডিএ মিলবে? সুর চড়াতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা।
ডিএ ইস্যুতে টালবাহানা অব্যাহত | Dearness Allowance
অর্থপ্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করার বিষয়টি জানিয়েছিলেন। আরও জানিয়েছিলেন বর্ধিত ভাতা আগামী অর্থবর্ষের শুরু থেকে অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। তবে এখনও সেই বিষয়ে কোনো আপডেট নেই। বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। বাজেটে ঘোষিত ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে এখনও কোনও উচ্চবাচ্য নেই সরকারের। সবমিলিয়ে কর্মচারী মহলে বাড়ছে সন্দেহ।
সাধারণত, বাজেটে ডিএ সংক্রান্ত ঘোষণার পর পরই বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেয় অর্থ দফতর। তবে ফেব্রুয়ারিতে ঘোষণার পর এপ্রিল চলে এলেও এখনও বর্ধিত মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। কেন এখনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি? সেই বিষয়েও কোনো উচ্চবাচ্য নেই নবান্নের। ফলত ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে ষষ্ঠ পে কমিশনের আওতায় ১৮% করে ডিএ পান রাজ্য সরকারি কর্মীরা। বাজেটে বলা হয়েছিল এবার থেকে বর্ধিত ৪ শতাংশ ডিএ যুক্ত হয়ে মোট ২২% ডিএ পাবেন সরকারি কর্মীরা। যা মে মাসের বেতনের সাথেই মিলবে। তবে এখনও সেই সংক্রান্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি নেই।
নবান্নের একাংশের আধিকারিকদের মতে, একদিকে সুপ্রিম নির্দেশে রাজ্য সরকারকে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে চলতি মার্চ মাস জুড়ে কাজ করতে হয়েছে, সেই কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সময় লেগে যাচ্ছে। অন্যদিকে ভোটের কারণে আধিকারিকদের রদবদল হওয়াতেই কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এপ্রিল মাসেই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সরকার জারি করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: হেলিকপ্টারে প্রচারের হুঙ্কার! কিন্তু বাস্তবে কতটা ধনী হুমায়ুন কবীর? সামনে এল সম্পত্তির আসল হিসেব
এই বিষয়ে সিপিএম সমর্থিত সরকারি কর্মচারী সংগঠন কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরীর কথায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও বকেয়া ডিএ মেটাতে কৌশলে রাজ্য সরকার তরফে আমাদের পাওনার তুলনায় কোথাও অর্ধেক কোথাও আবার অর্ধেকের থেকেও কম অর্থ দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে নতুন ঘোষিত ডিএ নিয়েও যে সরকার গড়িমসি করবে সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত। এবার এপ্রিলে সরকার তরফে কোনো পদক্ষেপ করা হয় কী না সেটাই দেখার।












