বাংলা হান্ট ডেস্ক: এসআইআর(SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে আগেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল। এবার চাপে পড়ে কমিশন বাধ্য হল এসআইআর এর নিয়ম বদল করতে। এবার থেকে ১১ নথির পাশাপাশি গণ্য হবে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট এবং এ বিষয়ে রাজ্য নির্বাচনী দপ্তরকে জানানো হয়েছে।
এসআইআর (SIR) এর নিয়ম বদল
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে যে, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও মহাকুমা শাসকের সই সম্বলিত শংসাপত্রই একমাত্র নথি হিসেবে গৃহীত হবে। অন্য কোন সই করা সার্টিফিকেট নথি হিসেবে গ্রাহ্য হবে না। এসআইআর এর শুরু থেকেই বিভিন্ন জিনিস নিয়ে শাসক দল নির্বাচন কমিশনের বিরোধিতা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিহারে যদি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হয় তাহলে বাংলায় কেন হচ্ছে না। এমনকি সুপ্রিম কোর্টে তিনি যখন নিজে বক্তব্য পেশ করছিলেন, তখন তিনি এ ব্যাপারে বলেন।
বাংলা বিহার উভয় ক্ষেত্রে আলাদা নিয়মের জন্য শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন চাপে পড়ে বাধ্য হল নিয়ম বদল করতে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কী। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট হচ্ছে স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ পত্র। যারা ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই এলাকায় আছে তারা এই ধরনের সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য।
আরও পড়ুন:অতিরিক্ত ঘাম হওয়া অযোগ্যতার মাপকাঠি নয়, কনস্টেবল নিয়োগ মামলায় রায় হাইকোর্টের
ডোমিসাইল সার্টিফিকেটে থাকবে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসকের মত প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্বাক্ষর। বিহারে এসআইআর পর্বে ভোটারদের কাছ থেকে নথি হিসেবে যে গুলি গ্রহণ করেছিল নির্বাচন কমিশন তার মধ্যে ছিল এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে সেটা বাদ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ভোটারদের হয়রানির শেষ ছিল না।
আরও পড়ুন:স্লিপারের ভাড়ায় পাবেন এসি কোচের পরিষেবা! লাগবে না অতিরিক্ত চার্জ, রেলের এই নিয়ম জানেন?

আজ ৭ ফেব্রুয়ারি এসআইআর নিয়ে শুনানি ছিল এবং সেই শুনানির শেষ দিনে নির্বাচন কমিশন জানায় এই সার্টিফিকেট নথি হিসেবে অবশ্যই গৃহীত হবে। তবে কয়েকটি জেলায় শুনানি পর্ব এখনও শেষ হয়নি। সে ক্ষেত্রে জেলাগুলিতে শুনানির সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আবেদন জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এখন দেখা যাক নির্বাচন কমিশন কবে থেকে এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করে। কারণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া খুব শীঘ্রই শুরু হবে সামনে আর এসআইআর এর কাজও শেষ হওয়ার কথা ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। সে ক্ষেত্রে এখন যাদের শুনানি বাকি, তারাই একমাত্র এই সার্টিফিকেট দাখিল করতে পারবেন বলে জানা যাচ্ছে, আর যদি নির্বাচন কমিশন সময়সীমা বাড়ায় তাহলেই এটা সম্ভব হবে।













