বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোট শান্তিপূর্ণ করতে এবার শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, ভিন রাজ্য থেকেও অতিরিক্ত সশস্ত্র পুলিশ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এবার একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কড়া পদক্ষেপে বাড়ছে নিরাপত্তা বলয়
বাংলায় প্রথম দফার ভোটের আগে থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী ইতিমধ্যেই রয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও কমিশন সন্তুষ্ট নয়। আরও নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার ভিন রাজ্য থেকে ৩০০০ সশস্ত্র পুলিশ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মূলত উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে আনা হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে এই তিনটি রাজ্যেই বর্তমানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। যদিও শুধু এই তিন রাজ্য নয়, আরও কয়েকটি রাজ্য থেকেও পুলিশ আনা হতে পারে বলে খবর। আগামী ১৩ এপ্রিল থেকেই ধাপে ধাপে এই বাহিনী বাংলায় পৌঁছতে শুরু করবে।
এদিকে ভোটের দিনক্ষণও ঠিক হয়ে গেছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে। সেই ভোট যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে কমিশন (Election Commission) আগেভাগেই মাঠে নেমে পড়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার অনেক বেশি সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে তামিলনাড়ুর পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কিন্তু তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। তবে কমিশন তাঁর সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। বরং তাঁকে সোমবারের মধ্যেই নতুন দায়িত্বে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘ভোটের পর সব পাপের হিসাব!’ কোচবিহার থেকে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি মোদীর, বাংলায় পরিবর্তনের ডাক
জানা গেছে, তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলি, অম্বাসমুদ্রম, পালায়মকোট্টাই, নাঙ্গুনেরি এবং রাধাপুরম এলাকায় তাঁকে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিশনের (Election Commission) এই সিদ্ধান্তে স্পষ্ট যে, ভোটের আগে প্রশাসনিক দিক থেকেও কোনও রকম ঢিলেমি রাখতে নারাজ তারা।












