কমিশনের শ্যেনদৃষ্টিতে যাদবপুর, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল, দ্বিতীয় দফার আগে বড় নির্দেশ

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : আগামী ২৯ তারিখ বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট রাজ্যে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এদিন রয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। তার আগে যাদবপুর, আলিয়ার মতো কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলিতে নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। কমিশনের মতে, এই হস্টেলগুলিতে প্রচুর বহিরাগত রয়েছে। তাই নজরদারি বাড়াতে প্রশাসনকে ‘সুপার চেকিং’ এর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেখানে।

একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরদারির নির্দেশ কমিশনের (Election Commission)

কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে তাদের মধ্যে রয়েছে যাদবপুর, কলকাতা, কল্যাণী, বেলগাছিয়ার ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণীর বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, তেঘরিয়ার হজ টাওয়ার, নিউ টাউন ও পার্ক সার্কাসের হজ হাউস, রাজারহাট নিউটাউন, পার্ক সার্কাস এবং তালতলার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সল্টলেকের যুবভারতী ক্যাম্পাস। এছাড়াও ৫৬ টি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নির্বাচন কমিশন নজর রাখবে বলে খবর।

Election commission orderd for checking in jadavpur alia university

কী অভিযোগ পড়ুয়াদের: এ বিষয়ে যাদবপুরের ছাত্রদের একাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্যকে সমর্থন করতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) এমন ‘মনগড়া’ তত্ত্ব তৈরি করেছে। ভোটের দিনে যাদবপুরের পড়ুয়ারা রাস্তায় বেরিয়ে গোলমাল করেছে, এমন কোনও নজির নেই। যাদবপুরের শিক্ষক সমিতিরও অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়কে এভাবে দুর্নাম করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন : ট্রেন মিস করলে সেই টিকিটে ওঠা যায় অন্য ট্রেনে? ভোগান্তি এড়াতে জানুন রেলের নিয়ম

কীভাবে চলবে নজরদারি: কীভাবে হবে নজরদারি? কীভাবে চলবে ‘সুপার চেকিং’? সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি নির্বাচন কমিশন সূত্রে। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের আগে কি হস্টেলে আবাসিকদের আসা যাওয়ার উপরে কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি হবে? এর কোনও উত্তর অবশ্য এখনও মেলেনি।

আরও পড়ুন : দুপুরের মধ্যেই স্টক শেষ, খালি হাতেই ফিরলেন অনেকে, ফের কবে খুলবে মদের দোকান?

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বারুইপুরের সভা থেকে যাদবপুরের পড়ুয়াদের দেশবিরোধী বলে কটাক্ষ শানান প্রধানমন্ত্রী। পালটা তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রীও। এর মাঝেই কমিশনের এই নির্দেশকে ইঙ্গিতবহ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।