বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লোকসভা ভোটের ঠিক আগে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তোলপাড় ফেলেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Former Justice Abhijit Ganguly)। সেই নিয়ে চর্চা এখনও চলে। এবার আরও এক বিচারপতি আসছেন রাজনীতির ময়দানে? কথা হচ্ছে জাস্টিস বিশ্বজিৎ বসুর (Justice Biswajit Basu)। সদ্যই অবসর নিয়েছেন তিনি। সেই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কি রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন আগামীদিনে? এবিপি আনন্দে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করলেন সবটা।
সোজা সাপ্টা বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু (Justice Biswajit Basu)
বিচারপতির আসন থেকে সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিলে অনেক প্রশ্ন উঠে আসে। সেটাকে আপনি নিজে কোন চোখে দেখেন? এই প্রশ্নের উত্তরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বলেন, ‘আমি কোনও সম্ভাবনাকেই আলাদা করে উপাদান দিতে চাই না। জনগণের নিজস্ব একটা ধারণা আছে। আমি আলাদা করে সেখানে কিছু সংযোজন করতে চাই না।’
তিনি যোগ করেন, ‘আমি রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট সচেতন। বিচারপতিরা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট সচেতন। পলিটিকাল কেরিয়ার কথাটায় আপত্তি আছে।’ তাঁর প্রশ্ন, পলিটিক্স কারও কেরিয়ার হয় নাকি? কেরিয়ার হিসেবে পলিটিক্স করায় তীব্র আপত্তি রয়েছে বলে জানান তিনি। বাংলার শিশুদের সঠিক পথে নিয়ে যেতে পলিটিক্স এ আসতে পারি। জানান প্রাক্তন বিচারপতি।
দলীয় রাজনীতি ছাড়া সার্বিকভাবে মানুষের জন্য কাজ করার প্রসঙ্গে প্রাক্তন বিচারপতি বলেন, ‘এই পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। দলীয় রাজনীতি করতে গেলে যে জায়গায় আপনাকে কম্প্রোমাইজ করতে হবে, সেই মেটিরিয়াল হতে না পারলে আপনি যাবেন না। ‘ দলীয় রাজনীতিতে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দলীয় রাজনীতির পরিস্থিতি বদলের সম্ভাবনা নেই। রাজনীতিকদের বিষয়ে মানুষের যা ধারণা, আমিও তাতে একমত।’

আরও পড়ুন: DA বকেয়া কারা পাবেন? কোন সময়ের টাকা দেওয়া হবে, সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা জানাল সুপ্রিম কোর্ট
ভবিষ্যতে ফের তাঁকে আইনজীবীর ভূমিকায় দেখা যেতে পারে বলেও জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘দিল্লিতে মামলা চালানোর ক্ষমতা বাংলার মানুষের নেই। আমার ইচ্ছে আছে যদি পারি সেখানে কন্ট্রিবিউট করব।’ আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানান তিনি। বলেন, ‘আমি মনে করি কোর্ট আইনজীবীদের জন্য। কেউ যদি কিছু করতে পারে তা আইনজীবীরাই পারেন। দলীয় আইনজীবীদের কথা বলছি না। আইনজীবীদের শক্তি অসীম।’












