বাংলা হান্ট ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার ফলে ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ৯ জুলাই ব্রেন্ট ক্রুয়েটের দাম ব্যারেল পিছু ৮০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছিয়েছে। এর ফলে ফের একবার মধ্যবিত্তদের পকেটের চাপ পড়তে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে (Fuel Price)। বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা পরিস্থিতি আরো খারাপ হলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাব, চড়ছে তেলের দাম (Fuel Price)
এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া তিনটি তেল বাই ট্যাংক এর উপর হামলা চালানোর জবাবে আমেরিকায় সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এরপর ইরানে দক্ষিণ উপকূলের একাধিক শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাশাপাশি কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। আর এই উত্তেজনা প্রভাব শুধু অপরিচিত তেলের দামেই (Fuel Price) নয় বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজার ও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: মায়াপুর ভ্রমণ এবার আরও সহজ! ধর্মতলা থেকে চালু সরাসরি এসি বাস পরিষেবা
পাশাপাশি মে মাসের শেষের দিকে, আন্তর্জাতিক বাজার অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১১০ ডলারের বেশি ছিল। পরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বেশি সংখ্যক তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হওয়া ও আমেরিকা ইরানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত কমানো সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় কিছুটা হলেও তেলের দাম কমে ছিল।
তবে দুই দেশের মধ্যে ফের উত্তেজনা বাড়ায় তেলের দাম ফের বেড়েছে। প্রসঙ্গত এই সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে প্রতিদিন দু কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহে প্রভাবিত হচ্ছিল। শুধু তেলের বাজার নয় ভারতীয় শেয়ার বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যারেলপিছু ১০০ ডলার ছাড়াবে?বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই মুহূর্তে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১০০ ডলারের বেশি হবে বলে নিশ্চিতভাবে বলা তাড়াহুড়ো হবে। তাঁদের মতে, বৈশ্বিক তেলের বাজার প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরবরাহে কিছু সমস্যা তৈরি হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি (Fuel Price)।













