চার দেওয়ালের মধ্যে বিভীষিকা! তরুণীর গোপনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন, গ্রেপ্তার প্রেমিক

Published on:

Published on:

Gurugram police investigate arrest of live-in partner on charges of torture
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এক ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী থাকলো গুরুগ্রাম (Gurugram)। জানা যায় ১৯ বছর বয়সী তরুণীর ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তার লিভ ইন পার্টনার। পুলিশকে অপরাধের জবাববন্দী দিতে গিয়ে অভিযুক্ত তরুণ নাকি জানিয়েছেন, তিনি তার সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। ‌ পাশাপাশি ধাতব বোতল দিয়েও আঘাত করেন তার মাথায়। এই ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন নির্যাতিতা।

নির্যাতনের অভিযোগে লিভ-ইন পার্টনার গ্রেপ্তার তদন্তে পুলিশ (Gurugram)

সূত্রের খবর, গুরুগ্রাম পুলিশের কাছে নির্যাতন নিয়ে মুখ খুলে ত্রিপুরার বাসিন্দা তরুণীর দাবি, টানা তিনদিন ধরে তাঁর উপরে অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছিলেন ১৯ বছর বয়সি দিল্লির বাসিন্দা শিবম। আর এই অত্যাচারের শুরু বচসা থেকে (Gurugram)।

Gurugram police investigate arrest of live-in partner on charges of torture

আরও পড়ুন: রেলের বড় ঘোষণা, ফেব্রুয়ারির শেষে ২৪ ট্রেন বাতিল,যাত্রীদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দু’জন বিয়ে নিয়ে কথা বলছিলেন। আগে বিয়ের ব্যাপারে আশ্বাস দিলেও এদিন বেঁকে বসেন শিবম। মধ্যরাতে শুরু হয় ঝগড়া। এরপরই অত্যাচার শুরু করেন তিনি। জানা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দু’জনের আলাপ। সেখান থেকে সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে।

এমনকী দু’জনের পরিবারও বিষয়টি জেনে যায়। এর মধ্যেই একসঙ্গে গুরুগ্রামে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ঘটে গেল এমন এক ভয়াবহ ঘটনা।

ইতিমধ্যে সফদরজং হাসপাতালে গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা। শিবমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। এরপর পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে নির্যাতিতাকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চোট গুরুতর থাকায় দ্রুত সেখান থেকে এইমস ও ক্রমে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।

এই বিষয়ে তরুণীর মা দাবি করেছেন, অভিযুক্তর বিরুদ্ধে যেন ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়। তিনি জানাচ্ছেন, তাঁর মেয়ের আর্তি মেশানো ফোন পেয়েই পুলিশে খবর দেন তিনি। মেয়ে যে ওই তরুণের সঙ্গে একসঙ্গে থাকত, তা তাঁরা জানতেন না বলেও দাবি ওই মহিলার। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Gurugram)।