বাংলা হান্ট ডেস্ক : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) ঘিরে হাওড়া জেলায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আগেভাগেই সক্রিয় হয়েছে। যাতে ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, সেই লক্ষ্যে হাওড়া (Howrah) জেলাজুড়ে ১৬৩ ধারা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাওড়ায় (Howrah) কড়া প্রশাসন
জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য কিছু কঠোর নিয়ম চালু থাকবে। ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে এই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে এবং ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে। এর ফলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর কার্যত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এই সময় কোনও ধরনের নির্বাচনী প্রচার চালানো যাবে না। সভা, র্যালি বা দলীয় জমায়েত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে। এমনকি বাইরের এলাকা থেকে আগত রাজনৈতিক কর্মীদের উপস্থিতিও সীমিত করা হয়েছে, যাতে স্থানীয় পরিবেশে কোনও অস্থিরতা না তৈরি হয়।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উস্কানিমূলক প্রচার বা বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়ানোর ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি নেওয়া হবে। পোস্টার, ব্যানার কিংবা অন্য কোনও প্রচারমাধ্যমের অপব্যবহার কঠোরভাবে রুখে দেওয়া হবে। শব্দদূষণ রুখতেও মাইক ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে।
বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাঁচজন বা তার বেশি মানুষ একত্রিত হয়ে উত্তেজনা ছড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, কোনওরকম আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোটের দিন বিশেষ সতর্কতা থাকবে ভোটকেন্দ্রগুলিকে ঘিরে। ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও প্রচার বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

আরও পড়ুন : ছাপ্পা ভোটে কত বছরের জেল? যা জানাল নির্বাচন কমিশন…
তবে জনজীবনের প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেই বিষয়েও নজর রাখা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ এই নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকবে। নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য অশান্তি এড়াতে প্রশাসন যে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে, তা স্পষ্ট। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।












