দিঘা-ডায়মন্ডহারবারে ইলিশ নেই, বাজার কাঁপাচ্ছে গুজরাটের ইলিশ, কেন এই অবস্থা?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : গত কয়েক বছর ধরে উপকূলে ইলিশ ক্রমেই কমে আসছে। ইলিশ (Hilsa) ধরতে গভীর সমুদ্রে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকছে না মৎস্যজীবীদের। কিন্তু গভীর সমুদ্র থেকেও যে সবসময় প্রচুর পরিমাণে ইলিশ উঠছে এমনটাও নয়। গত কয়েক বছর ধরে ইলিশের পরিমাণে ব্যাপক ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এমনকি এ বছরও সেভাবে ইলিশের দেখা নেই বাজারে।

উপকূলে ইলিশের (Hilsa) অভাব

ইলিশের এই ঘাটতির কারণ কী? মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে খবর, এর অন্যতম কারণ ট্রলি ফিশিং। এই ফিশিংয়ে এমন জাল ব্যবহার করা হয় যাতে সব মাছ ধরা পড়ে। জালে উঠে যায় ছোট ইলিশ। মাছ বাড়তে না পারলে কমে আসে যোগান। উপরন্তু ক্রমাগত দুর্যোগের জেরে সমুদ্রে বেশিদিন থাকতেও পারছেন না মৎস্যজীবীরা।

Gujrati hilsa is gradually taking over the market

গুজরাট থেকে আসছে ইলিশ: বিপুল চাহিদা মেটাতে ভরসা করতে হচ্ছে গুজরাটের ও মায়ানমারের থেকে আনা ইলিশের উপর। ২০২৩-২৪ সালে গুজরাটের ইলিশের (Hilsa) মোট উৎপাদন ছিল ৮২০৯.৪৮ মেট্রিক টন। তার মধ্যে একটি বড় অংশ এসেছিল পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। কিন্তু দিঘা, ডায়মন্ডহারবার, কাকদ্বীপের মতো উপকূলীয় এলাকায় ইলিশের যোগান ছিল খুবই কম।

আরও পড়ুন : উত্তরবঙ্গের জন্য পুজো স্পেশ্যাল ট্রেন, কবে কবে ছাড়বে, দেখুন টাইম টেবিল

যোগান কমছে উপকূলে: এরপর ২০২৪-২৫ সালে গুজরাটের ইলিশের যোগান আরও বাড়ে। দাঁড়ায় ৮৫৩৫.৭৫ মেট্রিক টনে। ২০২৫-২৬ এ উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ১৪৫৮৭.৭২ মেট্রিক টনে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বাজারে আসে একটি বড় অংশ।

আরও পড়ুন : সুস্বাদু হবে, স্বাস্থ্যকরও, এভাবে রাঁধুন গন্ধরাজ মুরগি বাটা

সেখানেই পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব সমুদ্র উপকূল এবং হুগলি নদী থেকে ওই চাহিদার ২০ থেকে ৩০ শতাংশও যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গুজরাটের ইলিশই রমরমিয়ে বিকোচ্ছে বাজারে।