বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে জলঘোলা হচ্ছে। কমিশনের সিদ্ধান্তের পর শুক্রবার রাতেই সুপ্রিম কোর্টে গেল মমতা (Mamata Banerjee) শিবির। একই সঙ্গে দলের বিদ্রোহী বিধায়কদের বিধায়কপদ খারিজের বিষয়েও আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
নাম-প্রতীক নিয়ে কী সিদ্ধান্ত কমিশনের?
শুক্রবার মমতার তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলকে আলাদা নাম ও প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দেয় নির্বাচন কমিশন। মমতা শিবিরকে আপাতত ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম দেওয়া হয়েছে। প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে ফুটবল খেলোয়াড়। অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের নাম হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’। তাদের প্রতীক খাম।
কমিশনের সিদ্ধান্তে আপত্তি মমতার (Mamata Banerjee) তৃণমূলের
কমিশনের এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানায় মমতার (Mamata Banerjee) তৃণমূল। দলের অভিযোগ, কমিশন দলের সাংগঠনিক কাঠামো ঠিকভাবে দেখেনি। তার বদলে দলের বিদ্রোহী সাংসদ ও বিধায়কদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মমতা শিবির আরও জানিয়েছে, যাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধেই বিধায়কপদ খারিজের আবেদন এখনও বিচারাধীন।
স্পিকারের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন
এদিন সুপ্রিম কোর্টে দ্বিতীয় আবেদনটিও করেছে মমতার (Mamata Banerjee) তৃণমূল। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে। দলের দাবি, ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়কের বিধায়কপদ খারিজের আবেদন নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই দেরির বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আজ থেকেই শুরু করুন, অবসরের পর প্রতি মাসে নিশ্চিত টাকা! সরকারের এই স্কিমে বড় সুবিধা
অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনের নাম-প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং বিদ্রোহী বিধায়কদের বিধায়কপদ, দুই বিষয় নিয়েই একই রাতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল মমতার (Mamata Banerjee) তৃণমূল।













