বেতন ও পেনশনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি! রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি জারি অর্থ দপ্তরের

Published on:

Published on:

Government of West Bengal(36)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) জন্য জারি হল গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। রাজ্য সরকারের (Government of West Bengal) অর্থ দপ্তর ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের একেবারে শেষে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন বিল জমা এবং বেতন প্রদানের বিষয়ে এক নির্দেশিকা জারি করেছে ২০ ফেব্রুয়ারি। যা সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কী বলা হয়েছে সেই নির্দেশিকায়? জেনে নিন।

সরকারি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি | Government of West Bengal

নির্দেশিকায় ট্রেজারি এবং পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসগুলিতে যাতে বছরের শেষে যাতে অত্যাধিক কাজ না জমে থাকে, তাই এখন থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং ডিডিও-দের জন্য একাধিক সময়সীমার উল্লেখ রয়েছে তাতে।

সরকারি কর্মীদের চিন্তা দূর করে অর্থ দপ্তরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক, রাজ্য সরকারি কর্মী, সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মী, লাইব্রেরি এবং পঞ্চায়েত কর্মীদের ২০২৬ সালের মার্চ মাসের বেতন দেওয়া হবে আগামী ০২.০৪.২০২৬ তারিখে।

পাশাপাশি জানানো হয়েছে, মার্চ মাসের পেনশনের টাকাও এপ্রিলের ২ তারিখে প্রদান করা হবে। ২ তারিখেই দেওয়া হবে ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট বা গ্রান্ট-ইন-এইড, এবং যারা মাসিক পারিশ্রমিক বা সাম্মানিক পান, তাদের বেতনও। বলা হয়েছে ট্রেজারিগুলি ৩০ মার্চের মধ্যে চেক বা পেমেন্ট ম্যান্ডেট তৈরি করে রাখলেও, ০২.০৪.২০২৬ তারিখের আগে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার অনুমতি পাওয়া যাবে না।

বিল জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সময়সীমা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। মার্চ মাসের বেতন, মজুরি এবং গ্রান্ট-ইন-এইড স্যালারি বিল ২৩ মার্চের মধ্যে জমা দিতে হবে। ১৮ মার্চের মধ্যে বকেয়া বেতন, ব্যক্তিগত দাবি এবং রিটায়ারমেন্ট বেনিফিটের বিল জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যাত্রার সময়ের ওপর ভিত্তি করে ১৩, ২৪ এবং ৩০ মার্চ টিএ বিল জমা দেওয়ার তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সমস্ত ডেডলাইন ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারদের মেনে চলতে হবে।

স্যাংশন ইস্যু হওয়ার তারিখের ওপর ভিত্তি করে বিল জমার তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চের মধ্যে বিভক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, ৩০ মার্চ ইস্যু হওয়া স্যাংশনের বিল ওই দিনই জমা। অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার মুহূর্তে সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ বা রেস্ট্রিকশন চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে অর্থ দপ্তরের তরফে।

Government Of West Bengal(35)

আরও পড়ুন: হাওড়া–দিল্লি ও কলকাতা–NJP লাইনে যাত্রীদের জন্য দোল স্পেশাল ট্রেন, কখন ছাড়বে জেনে নিন

স্পষ্ট করা হয়েছে, বিকেল ৪টের পর সিস্টেম অটোমেটিক বিল তৈরি বা সাবমিট করার প্রক্রিয়া বন্ধ। ৩০ মার্চ বিকেল ৪টে-র পর কোনো নতুন বিল ট্রেজারি বা পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসে কোনোভাবেই জমা নেওয়া হবে না। কোনো রকম সমস্যা হলে ফিরে আসা বা অবজেকশন হওয়া বিলগুলি পুনরায় জমা দেওয়ার সময় ১৮ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ বিকেল ৪টে পর্যন্ত।

স্পষ্ট করা হয়েছে, সরকারি এই নির্দেশিকা অমান্য করলে বা শেষ মুহূর্তের জন্য কাজ ফেলে রাখলে বিল পাস করানো যাবে না। সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিককে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।