বাংলা হান্ট ডেস্ক: ধরুন কোন ব্যক্তি আয়কর বাঁচানোর জন্য (Income Tax) নিজের উপার্জন একটি অংশ স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টে জমা করে দিল। তবে সেক্ষেত্রে কি তার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থ ফিক্সড ডিপোজিট, শেয়ার অথবা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা হলে সেখানে থেকে প্রাপ্ত অর্থ কি কর যোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। আজকের প্রতিবেদনে এই বিষয়ে রইল তথ্য।
স্ত্রীকে ঋণ দিলে আয়কর বাঁচবে? কী বলছে নিয়ম (Income Tax)
আইকন নিয়ম অনুযায়ী সামির আয়ের সঙ্গে এই আয়ের যোগ করলে পরে তার ওপর কর গণনা করা হবে। পাশাপাশি স্ত্রী’র আলাদা কোন উপার্জন না থাকলে স্ত্রীর নামে আলাদা করে কোন আইকন ধার্য হবে না। ফলে এইভাবে আয়কর কেউ বাঁচাতে চাইলে তা সম্ভব নয়। তবে স্ত্রী যদি স্বামীর সংস্থা কর্মরত হিসেবে দেখানো হয় সেক্ষেত্রে সংস্থার কর্মরত হিসেবে তাকে স্যালারি দেওয়া হয় (Income Tax)।

আরও পড়ুন: পয়লা বৈশাখে অতিথিদের চমক দিন, পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন হাঁড়ি কাবাব
অর্থাৎ সে ক্ষেত্রে কোম্পানির উপর যা যা নিয়ম লাঘু রয়েছে। প্রতিটা নিয়মই মেনে স্ত্রী’কে দিতে হবে। পাশাপাশি কোন পেপার ওয়ার্ক ছাড়া স্ত্রীকে একটা বাড়তি টাকা দেওয়া যাবে না। এই ক্ষেত্রে আরও একটি ব্যতিক্রম রয়েছে। যেখানে স্ত্রী সাংসারিক খরচ বাঁচিয়ে সেই বাড়তি টাকা দিয়ে যদি কোনও বিনিয়োগ করে, তাহলে তা স্ত্রীর উপার্জন হিসাবে গণ্য হয়।
তাছাড়া সাংসারিক খরচ যদি ৫ হাজার টাকা হয় ও বাড়তি টাকা যদি ২০ হাজার টাকা হয়, তাহলে সেই টাকা বিনিয়োগের পর, তা থেকে উপার্জন কিন্তু কখনই স্ত্রীর উপার্জন হিসাবে গণ্য হবে না। কারণ, সাংসারিক খরচ থেকে বাঁচানো টাকা সাংসারিক খরচের আর্থিক অঙ্কের তুলনায় অবশ্যই কম হয়।
এছাড়াও স্ত্রীধন থেকে উপার্জিত অর্থ আবার স্ত্রীর উপায় হিসাবে গণ্য হয়। তবে, স্বামীর থেকে প্রাপ্ত উপহার কিন্তু স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হবে না। ওই উপার্জন স্বামীর উপার্জনের সঙ্গে যুক্ত হবে। আচ্ছা, স্ত্রীকে যদি ঋণ দেওয়া হয়, তাহলে তা থেকে উপার্জিত অর্থ কি স্ত্রীয়ের বলেই গণ্য হবে? স্ত্রীকে যদি ঋণ দেওয়া হয়, তাহলে সেই ঋণ থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে সুদ নিতে হবে স্বামীকে ও দেওয়া অর্থ সুদে-আসলে পুরটাই ফেরত নিতে হবে (Income Tax)।












