বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট (INDI Alliance) নিয়ে কটাক্ষ থেকে শুরু করে দেশের তরুণ পাইলট স্মিথ মাচ্ছারের আরোগ্য কামনা একাধিক ইস্যুতে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপি নেতা তথা প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার (Debjit Sarkar)। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে সরগরম গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিশেষ করে সম্প্রতি এই ইস্যুতে এক ছাতার তলায় এসে ইন্ডি জোটের মধ্য দিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দলগুলি।
‘IND – ইয়া ইয়া সার্কাস এসে গেছে’ কটাক্ষ দেবজিৎ সরকারের
রীতিমতো ব্যঙ্গাত্মক সুরে, হাসতে হাসতেই এদিন তিনি বললেন, ‘আপনারা জানেন মানেকা গান্ধী যে আন্দোলন করেছিলেন। তাতে বাঘ,সিংহ, হাতি,গন্ডার, জলহস্তী ইত্যাদিদের খেলা করানো বা কষ্ট দেওয়া ইত্যাদির বিরোধিতা করে তিনি একটা মামলা করেন এবং সেই মামলায় তিনি জয়ী হন তার সংগঠন জয়ী হন এবং তারপর থেকে সার্কাসে বন্য জন্তুদের নিয়ে খেলা দেখানো বন্ধ হয়ে যায়।’
এরপরেই বিজেপি নেতার সংযোজন, ‘সেখানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এক্রোব্যাট অর্থাৎ এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে কিভাবে ঝুলে যেতে হয় বা জিমন্যাস্টদের কদর বাড়ে, আর তার সঙ্গে জোকারদের কদর বাড়ে। এবং সেই জন্য তার কাছে যেখানে হয়তো চারজন জোকার কাজ করতেন ইদানিংকালের সার্কাসগুলোতে ৮ জন ১০ জন ১২ জন একাধিক জোকার দর্শকদের মনোরঞ্জন করে।’
আরও পড়ুনঃ ‘আমরা পুলিশের ঘোমটার আড়ালে খ্যমটা নাচি না’, ছাত্র ভোট-যাদবপুর নিয়ে বিস্ফোরক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য
সার্কাসের সূত্র ধরেই এদিন ইন্ডি জোটের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি নেতার চরম কটাক্ষ, ‘অজন্তা সার্কাস কিম্বা গ্রেট ইন্ডিয়ান সার্কাস, সে সবের বোধহয় দিন শেষ হতে চলল। IND – ইয়া ইয়া সার্কাস এসে গেছে। সেখানে প্রচুর জোকার, প্রচুর রকমের জোকারি চলছে। সারা ভারতের লোক প্রাণ খুলে হাসার সুযোগ পাচ্ছেন। এই সার্কাস আরও কিছুদিন চলুক। এবং মন ভরে মানুষ আনন্দে থাকুক আনন্দ পাক।’
এখানেই শেষ নয়, এরপর তিনি আরও বললেন, ‘আপনাদের ক্যামেরা, আপনাদের যে ব্যবস্থা তাতে মানুষের কাছে এই সার্কাসের বিভিন্ন জোকার কুশীলবদের কথা মানুষের কাছে পৌঁছক আরও আনন্দ দেওয়ার জন্য। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন দর্শক যাতে ভালো করে দেখতে পারেন সেই জন্য জোকাররা অবস্থান বদলায়। একই প্রান্তে দাঁড়িয়ে একই জোকার সব সময় এক কথা বলবেন এটা আপনারা ভাবছেন কেন? সমস্ত প্রান্তের জোকার যাতে ভালোভাবে দেখতে পারেন সেই জন্য ওনারা এই সমস্ত করছেন।’
আর সবশেষে তিনি বললেন, ‘আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ওই বিষয়ে কোন আগ্রহ নেই। কোন মানুষ আর চান না পশ্চিমবঙ্গে সেই ১৫ বছরের কালো দিনগুলো ফিরে আসুক, বা তার আগের ৩৪ বছরের সেই কষ্টের দিনগুলো আর ফিরে আসুক।’













