বাংলা হান্ট ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতীয় রেল (Indian Railways) ক্রমশ আধুনিক হচ্ছে এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে একের পর এক বড় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হচ্ছে। ঠিক এক আবহেই এবার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সোমবার জানিয়েছেন যে, ভারতীয় রেল ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটের ৯৮ শতাংশ ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ নাগাদই ব্যয় করে ফেলেছে। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে এটি প্রকল্পগুলির দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিফলন। মন্ত্রী আরও বলেন যে, ভবিষ্যতে দেশের একাধিক রুটে ট্রেন পরিষেবা বিমান পরিষেবাকে ছাড়িয়ে যাবে। মন্ত্রী বলেন, গত অর্থবর্ষে প্রায় সমগ্র মূলধনী ব্যয় মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই খরচ হয়ে গিয়েছিল।
ভারতীয় রেলে (Indian Railways) ঝড়ের গতিতে চলছে কাজ:
তিনি আরও জানান, ‘ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহের মধ্যে বাজেটের ৯৮ শতাংশেরও বেশি ব্যয় হয়ে গিয়েছিল। এরপর, অর্থবর্ষের একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য আমাদের ব্যয়ের গতি কিছুটা কমিয়ে আনতে হয়।’

৪৯,০০০ কিলোমিটার রেললাইনের বৈদ্যুতিকরণ: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন যে, ভারতে এখনও পর্যন্ত ৪৯,০০০ কিলোমিটার রেললাইনের বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। যা জার্মানির সমগ্র রেল নেটওয়ার্কের চেয়েও বেশি। এদিকে, ৩৬,০০০ কিলোমিটার নতুন ট্র্যাক যুক্ত করা হয়েছে। যা সুইজারল্যান্ডের রেল নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্যের প্রায় ৬ গুণ।
আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার আবহেও কীভাবে ভারত হয়ে উঠবে গ্লোবাল পাওয়ার? জানালেন খোদ গৌতম আদানি
মন্ত্রী বলেন যে, এই নতুন রুটগুলি সামগ্রিকভাবে সফরের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেবে, যার ফলে যাত্রীরা বিমান ভ্রমণের চেয়ে ট্রেনকে বেশি পছন্দ করবেন। তিনি বলেছেন, সরকার মুম্বাই ও পুণের মধ্যে একটি নতুন করিডোর তৈরি করছে। যা যাতায়াতের সময় কমিয়ে মাত্র ২৮ মিনিটে নিয়ে আসবে। এর ফলে পুণে থেকে হায়দরাবাদ যেতে সময় লাগবে ১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট এবং হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরু যেতে সময় লাগবে প্রায় ২ ঘণ্টা।
আরও পড়ুন: দেশজুড়ে নেওয়া হবে কোনও বড় সিদ্ধান্ত? কেন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?
৯৯ শতাংশ যাতায়াত হবে রেলপথে: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, এই ধরণের রুটে যাত্রীরা আর বিমান চলাচলের কথা ভাববে না। বিমান সংস্থাগুলির জন্য এই এলাকাগুলো কার্যত বিলুপ্ত হয়ে যাবে। যাঁরা বিমান সংস্থায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, তাঁদের এখন বোঝা উচিত যে এই রুটগুলিতে ৯৯ শতাংশ চলাচল হবে রেলপথে। তিনি বলেন, বেঙ্গালুরু এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে ৭৮ মিনিট হবে। যা শহর ২ টিকে প্রায় একটি একক মহানগরের মতো করে তুলবে। এছাড়া, দিল্লি থেকে বারাণসী যেতে ৩ ঘন্টা ৫০ মিনিট এবং দিল্লি থেকে লখনউ যেতে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগবে।













