বাংলা হান্ট ডেস্ক: সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত ৩৮তম বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসরকার রেলওয়ে বৈঠকে মৈত্রী এক্সপ্রেসের সম্ভাব্য নতুন রুট নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিরা পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচল নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকা যাত্রীবাহী রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (Indian Railways)।
পদ্মা সেতু হয়ে কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী, কবে থেকে? (Indian Railways)
দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, পদ্মা সেতু-বেনাপোল রুটে ট্রেন চালু হলে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে সময় প্রায় তিন ঘণ্টা কমে ছয় ঘণ্টায় দাঁড়াবে। একই সঙ্গে টিকেটের ভাড়া প্রায় এক হাজার টাকা কমতে পারে। যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেই নতুন রুটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাহাড়ের মাঝে গ্যালেথার, সঙ্গে পাবেন কাঞ্চনজঙ্ঘার সুন্দর দৃশ্য মন ভালো করবে আপনার
ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে যাতায়াত করা মৈত্রী এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু-বেনাপোল রুট দিয়ে চালানো হলে সময় প্রায় তিন ঘণ্টা কমে ছয় ঘণ্টায় নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। এতদিন ট্রেনটি যমুনা সেতু-দর্শনা রুট হয়ে চলাচল করত।
নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ভারতে যাওয়া বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। ভারতের পর্যটন মন্ত্রকের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অগাস্ট মাসে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ভ্রমণ করেছেন ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।
বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত মৈত্রী এক্সপ্রেসে মোট ২ লাখ ৮৮ হাজার ৩৬০ জন যাত্রী ভ্রমণ করেছেন। বিদ্যমান তথ্য অনুযায়ী, এর প্রায় ৯৫ শতাংশ যাত্রী ছিলেন বাংলাদেশি। ট্রেনটির গড় আসন ব্যবহারের হার ছিল ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ। তবে ইদ ও দুর্গাপুজোর মতো বড় উৎসবের সময় এই হার ৯৫ শতাংশের বেশি ছিল (Indian Railways)।













