বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দীপাবলির আগে অবৈধ শব্দবাজি পাচারের রমরমা দেখা যায়। এবার তা রুখতে প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। কিউআর কোড স্ক্যান করলেই জানা যাবে কোনটা আসল সবুজ বাজি (Green Crackers) আর কোনটা নয়। নকল সবুজ বাজি ধরতে এই ব্যবস্থা অনেকটাই সাহায্য করবে বলে মনে করছে লালবাজার।
কিউআর কোড স্ক্যান করেই চেনা যাবে আসল বাজি | (Kolkata Police)
কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের তরফে এই কিউআর কোড তৈরি করা হয়েছে। মোবাইলের মাধ্যমে এটি স্ক্যান করলেই ১৭০০টি বৈধ সবুজ বাজির নাম স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। শহরের সব বাজি বাজারের নানা জায়গায় এই কিউআর কোড থাকবে। ফলে ক্রেতারা বাজি কিনতে এসে সহজেই আসল ও নকলের ফারাক বুঝতে পারবেন।

কালীপুজো ও দীপাবলির আগে শব্দবাজি ধরতে শহরের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নাকা ও নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। বাজি বাজার ছাড়া অন্যান্য জায়গায় বাজি বিক্রি যেহেতু নিষিদ্ধ তাই কালীপুজোর আগে গজিয়ে ওঠা দোকানের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ আবেদন বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক! অভিষেকের মামলায় হাইকোর্টকে অনুরোধ সুপ্রিম কোর্টের
পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে প্রায় ৯০ হাজার লিফলেট ও পোস্টার প্রকাশ করেছে কলকাতা পুলিশ। সেগুলি দশটি ডিভিশনেই পাঠানো হচ্ছে। ওই লিফলেট ও পোস্টারে বলা হয়েছে, সবুজ শব্দবাজি ও সবুজ আলোর বাজি ছাড়া অন্য কোনও ধরণের বাজি যেন না ফাটানো হয়।
লালবাজারের পোস্টার ও লিফলেটে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, চার মিটার দূরত্বে সর্বোচ্চ ১২৫ ডেসিবেলে শব্দ উৎপাদনকারী সবুজ বাজি ফাটানো যাবে। পাশাপাশি আলো উৎপাদনকারী সবুজ বাজি সর্বাধিক ৯০ ডেসিবেলে চার মিটার দূরত্বে ফাটানো যাবে।
কালীপুজো ও দীপাবলিতে অবৈধ ও নিষিদ্ধ শব্দবাজির ব্যবহার রুখতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে কলকাতা পুলিশ। কোনটা আসল সবুজ বাজি আর কোনটা নকল তা চেনাতে কিউআর কোডের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। এটি পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও অনেকটা সাহায্য করবে বলে ধারণা।












