বাংলা হান্ট ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যা বেলায় হঠাৎ করে রাজস্থান কোটার (Kota) রেস্তোরাঁ ভেঙ্গে পড়ে মৃত্যু হয় পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দা সহ দুজনে। এই ঘটনায় যথারীতি আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১৩ জন। এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন কোচবিহারের বাসিন্দাও ছিলেন।
কোটায় বহুতলে ধস মৃত ২, ধ্বংসস্তূপে আটক বহু মানুষ (Kota)
সূত্রের খবর, তিন তলার ভবনে পিছনে বেশ কয়েকদিন ধরেই কাজ চলছিল। ড্রিল মেশিন এনে কাজ করা হচ্ছিল। অনুমান করা হচ্ছে এতেই আবাসনের ক্ষতি হয়। এর ফলে কোটার (Kota) তিন তলা আবাসন টি হঠাৎ ভেঙে পড়ে। এই খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও উদ্ধারকারীর দল। পাশাপাশি চলতে থাকে উদ্ধারকাজ। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: হোলি উপলক্ষে ‘উপহার’ রেলের, চলবে ১,৪১০ স্পেশ্যাল ট্রেন, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
যদিও ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বেশ কয়েকজন আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে কি কারণে ওই তিন তলা ভবনটি ভেঙে পড়ল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কিন্তু এই ঘটনার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, শনিবার রাতে কোটার তালওয়ান্দি এলাকার একটি তিন তলা ভবন আচমকায় ধসে পড়ে। আর সেখানেই ছিল একটা খোলা রেস্তোরাঁ। এই দুর্ঘটনার পথ ধ্বংসস্তূপের নিচে রেস্তোরাঁর কর্মী বা অন্য কেউ আটকে পড়ে আছে কিনা সে বিষয়ে ইতিমধ্যে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে কোচবিহারের মেধাবী ছাত্র অরারণ্য কর্মকার। গুরু তবে গুরুতর অবস্থায় জখম হয়েছেন তার মা সুদীপ্তা কর্মকার। তিনি বর্তমানে আই সি ইউ তে ভর্তি রয়েছেন। জানা যায় অরারণ্য কোটাতে (Kota) JEE জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে এই দুর্ঘটনার পর রাজস্থানের মন্ত্রী, মদন দিলাওয়ার বলেন, “এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্তত ন’জনকে উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”












