গাড়ি ঘিরে দেদার ডিম, পাথর বর্ষণ! মমতার সভায় যাওয়ার পথে হামলার শিকার কুণাল ঘোষ

Published on:

Published on:

Kunal Ghosh attacked while going to Mamata Banerjee Serampore rally
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শনিবার বিকেলে শ্রীরামপুরে সভা করবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভোট পরবর্তী সময়ে এটি জেলায় তাঁর প্রথম কর্মসূচি। সেই সভায় যাওয়ার পথেই হামলার মুখে পড়লেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে দেদার পাথর, ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।

কুণালের উপর হামলার তীব্র নিন্দা মমতার | (Kunal Ghosh)

এদিন গাড়ি করে মমতার সভায় যাচ্ছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক। অভিযোগ, উত্তরপাড়া সখের বাজারে কয়েকজন তাঁর গাড়ি আটকে দাঁড়িয়ে পড়েন। এরপর গাড়ি লক্ষ্য করে লাগাতার ডিম, পাথর ছোড়া হয়। লোহার রড দিয়ে গাড়িতে আঘাত করা হতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ পুজোর আগে না পরে, অক্টোবরে কবে ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনা? মহিলাদের জন্য বড় আপডেট

কুণালের অভিযোগ, তিনি যাতে মমতার সভায় না যেতে পারেন, সেই জন্য এসব করা হয়েছে। তবে এসব করে তাঁকে থামানো যাবে না বলে জানিয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক। বাড়ি থেকে বেরনোর আগে ঘটনাটির নিন্দা করে মমতা বলেন, ‘গণতন্ত্রের অশনি সংকেত’। এর পিছনে বিজেপির গুন্ডারা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

হামলার অভিঘাত বোঝাতে গিয়ে কুণাল জানান, তাঁর গাড়ির পিছনের কাঁচ গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি চালকের পাশে বসি। আমায় নিশানা করে পাথর ছোড়া হয়। আমার শরীর কাঁচে ভর্তি।“

মমতা তৃণমূল বিধায়কের দাবি, হামলাকারীরা বলছিলেন, গো ব্যাক, মমতার সভায় যাওয়া যাবে না। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কুণালের হুঁশিয়ারি, “চেষ্টা করছি সোজা ভবানী ভবনে ঢুকব। কেমন গুন্ডারাজ চলছে দেখুক। পুলিশ গুন্ডাদের না সরালে সভায় যাওয়া সম্ভব নয়।“

Kunal Ghosh attacked

কুণালের উপর হামলা প্রসঙ্গে হুগলি জেলা মমতা তৃণমূলের আহ্বায়ক তথা চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, “মমতার সভায় যাতে আসতে না পারেন, সেই জন্য দিকে দিকে তৃণমূল কর্মীদের আটকানো হচ্ছে। উত্তরপাড়া সখের বাজার এলাকায় কুণাল ঘোষের উপর হামলা, ডিম থেরাপি করা হয়েছে। তৃণমূলকে এভাবে আটকানো যাবে না।“

এই বিষয়ে কুণালের গলাতেও শোনা গিয়েছে একই সুর। তিনিও বলেন, মমতাপন্থীদের এভাবে থামানো যাবে না। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ রাহুল সিংহের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্যই এসব হয়েছে।