মমতাকে মানি শোভনদেবকে না! নাটকটা করার কি দরকার? বিস্ফোরক কুনাল ঘোষ

Published on:

Published on:

Kunal Ghosh on People who say we Obey Mamata Banerjee but not Sovandeb Chatterjee
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এখনও একমাস কাটেনি বাংলার মসনদ চ্যুত হয়েছে তৃণমূল (Trinamool Congress)। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই একেরপর এক ফাটল প্রকাশ্যে আসছিল। ইতিমধ্যেই বড় ঘোষণা এসেছে ‘নয়া’ জোড়াফুল শিবিরের। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিস্ফোরক কুনাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

মমতাকে মানি অথচ শোভনদেবকে মানি না, মানে কি?

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে কুনাল ঘোষ জানান, ‘দলের একজন বহিস্কৃত বিধায়ক। যারা এসবের মধ্যে আছেন তাদের অধিকাংশেরই দুটি জায়গায় সই রয়েছে। যদি কেউ বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের নেত্রী, আমরা মমতাদিকেই মানি। তাহলে মমতাদি যখন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা বলেছেন তাঁকে মানব না? দশ বারের বিধায়ক তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম বিধানসভার বিধায়ক। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানি এই নাটকটা করার কি দরকার? মানুষ তো এমনিই ধরতে পারছেন, যে কাদের চাপে কিসের চাপে এসব হচ্ছে’।

তিনি আরও বলেন, ‘যদি মমতা বান্ধোপাধ্যায়কেই মানি শব্দটা বলেন তাহলে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে মানলেন না কেন? যাঁরা করেছেন এলাকার মানুষ তাঁরা দেখবেন। কেউ নির্দল বিধায়ক নন, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী, তৃণমূল প্রতীকের প্রার্থী। মমতার ছবি দেখিয়ে ভোট জেতা প্রার্থী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হলে এদের অনেককেই মন্ত্রিসভায় দেখা যেত বা লবি করতেন। আজকে যেহেতু আমরা বিরোধী পক্ষ, কারোর কারোর মনে হয়েছে অন্যদের ট্র্যাপে পড়বেন। একজন দুজন লোভী লোক তার মধ্যে গেছে। কিন্তু শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সাথে কারোর তুলনা হতে পারে? মুখে বলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানি, আবার বলছে শোভনদেবকে মানি না, এর মানে কি?’

আরও পড়ুনঃ অভিষেকের কপালে শনির দশা! এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে হাজিরার নির্দেশ ED-র

সই জালের ঘটনায় CID তদন্ত

এরপর সই জাল কাণ্ডে CID তদন্তের সম্পর্কে প্রশ্ন করতে কুনালবাবু জানান,  সিআইডি তদন্ত করে দেখলেই বেরোবে যে দুটো জায়গায় সই আছে কি না বা কজনের আছে! তদন্তে বেরোবে। ওরা ওদের মত করে করেছেন তবে আমাদের মতে সংসদীয়, পরিষদীয় বা আইনে যা হবে সেটা দল খতিয়ে দেখবে।

প্রসঙ্গত, বুধবারেই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে একটি বার্তা শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ‘গভীর বিবেচনার পর বাংলায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত কমিটি ও শাখা সংগঠন অবিলম্বে বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সর্বস্টোরে আত্মবিশ্লেষণ, কর্মদক্ষতার পর্যবেক্ষণ ও সাংগঠনিক মূল্যায়ন করবে। যাঁর ফলাফলের ভিত্তিতে সমস্ত শাখা সংগঠন ও সাংগঠনিক কাঠামো পর্ণরায় গঠন করে ঘোষণা করা হবে’।