বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের সক্রিয় হল ইডি (Enforcement Directorate)। এই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ইডি দপ্তরে হাজিরা দিতে এলেন কুন্তল ঘোষ। হাতে প্লাস্টিক ভর্তি নথি নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছনোর পর থেকেই নতুন করে এই মামলায় জোরালো জল্পনা শুরু হয়েছে।
কী ঘটেছে?
মঙ্গলবার সকালে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ইডির (Enforcement Directorate) তলবে সাড়া দিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন কুন্তল ঘোষ। বিকেল প্রায় ৩টা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে প্লাস্টিক ভর্তি নথি হাতে অফিসে ঢুকতে দেখা যায়। এসএসসি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তিনি বর্তমানে জামিনে মুক্ত।
কেন তলব করা হল?
এই মামলায় কুন্তল ঘোষের নাম উঠে এসেছে ‘মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে বহু প্রার্থীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই অর্থের লেনদেনের সূত্র ধরেই তাঁর নাম সামনে আসে।
তদন্তে গতি আনতে ইডির (Enforcement Directorate) নতুন পদক্ষেপ
কয়েক দিন আগেই এই একই মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি (Enforcement Directorate)। পাশাপাশি ১০০-র বেশি চাকরিপ্রার্থী, যাঁরা টাকা দিয়েও চাকরি পাননি, তাঁদেরও ডাকা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তকারীরা তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছেন। অনেক দিন পর আবার কুন্তল ঘোষ ও মণীশকে তলব করায়, এই মামলায় নতুন করে গতি আনতেই চাইছে ইডি, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম! দাবি না মানলে বাড়ি বাড়ি প্রচারের হুঁশিয়ারি DA আন্দোলনকারীদের
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ইডি (Enforcement Directorate) কুন্তল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছিল। জেলে থাকাকালীন তিনি দাবি করেন, তাঁর কাছে একটি ডায়েরি রয়েছে, যেখানে দুর্নীতির টাকা কাকে, কখন, কত দেওয়া হয়েছে তার বিস্তারিত লেখা আছে। এই দাবি ঘিরে সে সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। প্রায় ১৯ মাস জেলে থাকার পর ২০২৪ সালে তিনি জামিন পান। আদালত জানায়, মামলার বিচার শেষ হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে, তাই এতদিন হেফাজতে রাখা যুক্তিযুক্ত নয়।












