বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) ইস্যুতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজ্যে। রাজ্য সরকার আংশিক বকেয়া দেওয়ার ঘোষণা করলেও, তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। কবে টাকা মিলবে, কত টাকা মিলবে, এই অনিশ্চয়তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১১নয়, ৪ বছরের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেবে রাজ্য
রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ১১ বছরের নয়, আপাতত ৪ বছরের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেওয়া হবে। সেই বকেয়া আবার দু’ভাগে মেটানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঠিক কবে এই টাকা কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে, তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন শিক্ষক সংগঠনগুলি। তাদের বক্তব্য, শুধু ঘোষণা করলেই হবে না, বাস্তবে কবে টাকা পাওয়া যাবে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়েই স্পষ্ট উত্তর না পাওয়ায় অসন্তোষ আরও বাড়ছে।
এদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আধিকারিকরা এই ঘোষণাকে সরাসরি রাজনৈতিক কৌশল বলেই অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, ভোটের আগে কর্মচারীদের ‘ভোলানোর’ চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। এই ঘোষণার মাধ্যমে ভোটের বৈতরণী পার করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেছেন। আরও একটি বড় অভিযোগ উঠেছে টাকার অঙ্ক ও জমার সময় নিয়ে। কত টাকা দেওয়া হবে, কীভাবে দেওয়া হবে, এই সংক্রান্ত কোনও নির্দিষ্ট হিসেব এখনও সামনে আসেনি বলে দাবি কর্মচারী সংগঠনের। ফলে বিভ্রান্তি এবং ক্ষোভ, দুটোই বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া DA পেতে কী করতে হবে? জানুন এক নজরে
শুধু তাই নয়, প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমা দেওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এই টাকা (Dearness Allowance) সময়মতো জমা হবে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট সমস্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর কথা বলেছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ পুরোপুরি মানা হয়নি বলেই অভিযোগ উঠেছে। এর জেরেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।












