বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ডিএ (Dearness Allowance) বকেয়া নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অনেকদিন ধরেই অপেক্ষা ছিল। এবার নির্দেশিকা প্রকাশ হওয়ার পর পরিষ্কার হয়েছে কখন আর কীভাবে সেই টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। বিশেষ করে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে এই নিয়ে আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।
কীভাবে টাকা (Dearness Allowance) পাবেন?
নির্দেশিকা অনুযায়ী, সবাই একইভাবে টাকা পাবেন না।শিক্ষক-শিক্ষিকা ও গ্রুপ-সি কর্মীদের বকেয়া (Dearness Allowance) টাকা সরাসরি পিএফ-এ জমা পড়তে পারে। এই টাকায় আবার কিছুদিন (প্রায় ২ বছর) লক-ইন থাকতে পারে। গ্রুপ-ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি তাঁদের স্যালারি অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে। আর পেনশনার ও ফ্যামিলি পেনশনারদের টাকা তাঁদের পেনশন অ্যাকাউন্টেই পাঠানো হবে।
কোন সময়ের টাকা আগে মিলবে?
বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দু’ভাগে দেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছে। প্রথমে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত টাকার হিসাব মিটবে। এই সময়ের হিসাব সহজ, কারণ তখন অনলাইন সিস্টেম চালু ছিল। তারপর এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত বকেয়া হিসাব করে দেওয়া হবে। এই অংশটা আলাদা কমিটি দেখে ঠিক করবে। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরাও এই পুরো টাকার আওতায় থাকবেন।
ট্যাক্স নিয়ে কী হবে?
যদি মার্চ মাসে টাকা একসাথে দেওয়া হতো, তাহলে অনেকেরই ট্যাক্স বেড়ে যেত। কিন্তু এপ্রিল মাসে দিলে সেটা নতুন অর্থবর্ষে পড়বে, ফলে করের চাপ কিছুটা কম হতে পারে।
কী প্রস্তুতি নেবেন?
শিক্ষকদের এখনই কিছু তথ্য গুছিয়ে রাখা দরকার। ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত নিজের বেসিক পে কত ছিল, সেটা লিখে রাখুন। প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট বা অন্য কারণে বেতন বদলালে সেই হিসাবও নোট করে রাখুন। এই তথ্যগুলো স্কুলের অ্যাকুইট্যান্স রোল থেকেই পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ ২০০৮-২০১৫ DA বাদ! তাহলে কত বছরের বকেয়া পাবেন সরকারি কর্মীরা? বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের
এখন পুরো প্রক্রিয়াই অনলাইনে হওয়ায়, কাজ এগোলে দ্রুতই টাকা মেটানো সম্ভব। তাই আগে থেকেই নিজের হিসাব গুছিয়ে রাখলে, টাকা (Dearness Allowance) এলে বুঝে নিতে কোনও সমস্যা হবে না।












