FIFA প্রেসিডেন্টকে সরাসরি অগ্রাহ্য করলেন মেসি! আর্জেন্টিনা ক্যাপ্টেনের অবসর নিয়ে বড় আপডেট দিলেন স্কালোনি

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ হতাশাজনক ভাবে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) অভিযান শেষ করেছে লিওনেল মেসির (Lionel Messi) আর্জেন্টিনা (Argentina)। স্পেনের কাছে হেরে তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন লিওনেল স্কালোনির ছেলেরা। সেই হতাশায় এবার ফিফা (FIFA) প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে (Gianni Infantino) সরাসরি অপমান করে বসলেন লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপ ফাইনালে বল পায়ে সম্পূর্ণ নিষ্প্রভ ছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। গোল মুখে একটি শটও নিতে পারেননি তিনি। সতীর্থদের জন্য বিশেষ সুযোগও তৈরি করতে পারেননি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। খুব স্বাভাবিক ভাবেই ম্যাচের পরে হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করা মহাতারকা।

মেসির মনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ আরও বোঝা যায় যখন আর্জেন্টিনা দল রানার্স আপ মেডেল সংগ্রহ করতে পোডিয়ামে ওঠে। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খেলোয়াড়দের স্মারক উপহার দিচ্ছিলেন। সেই সময় ফিফা সভাপতি আর্জেন্টিনা অধিনায়ককে দাঁড় করিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু ভাবলেশহীন মুখে তাকে অগ্রাহ্য করে মেসি সেখান থেকে সরে যান।

আরও পড়ুন: শচীনের রেকর্ড ভেঙে দিলেন বুড়ো রোহিত শর্মা! লর্ডসের সকল দর্শক উঠে দাঁড়িয়ে বাজালো করতালি

তার এই আচরণের পর জল্পনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিভিন্ন সময় ফিফা কর্তৃক আর্জেন্টিনা দলকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ বারবার করে এসেছে লা অ্যালবিসেলেস্তে-দের বিরোধীরা। কিন্তু মেসির এহেন আচরণের ব্যাখ্যা সঠিকভাবে কারোর পক্ষেই করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেকেই বলছেন নিজের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নেমে হেরে ফিরতে চাননি লিও মেসি। পরাজয় স্বীকার করতে না পেরেই এহেন আচরণ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের পাশাপাশি মেসির হাতের মুঠো থেকে গোল্ডেন বলও চুরি করে নিলেন স্পেন অধিনায়ক রদ্রি! হতাশ ভক্তরা

তবে সত্যিই কি বিশ্বকাপের ফাইনালই ছিল লিওনেল মেসির জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এই প্রশ্নের জবাবে আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনি জানিয়েছেন যে ৩৯ বছর বয়সী মেসি কতদিন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপিয়ে মাঠে নামতে চাইবেন, ততদিনই মাঠে নামবেন। এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি মেসির ব্যক্তিগত। তার সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, তার সতীর্থরা সেই সিদ্ধান্ত মাথা পেতে মেনে নেবেন বলেই জানিয়েছেন আর্জেন্টিনাকে চারটি মেজর ট্রফি জেতানো কোচ।