বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোট গণনার সময় প্রথমে পোস্টাল ব্যালেট গণনা শুরু হয়। এবারের ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালট গণনার দিন শুরু থেকেই দেখা যায় একের পর এক কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি শিবির। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, পোস্টাল ব্যালটের ৮০ শতাংশেরও বেশি ভোট গিয়েছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়েছেন। পোস্টাল ব্যালটে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও ভবানীপুর কেন্দ্রে সামগ্রিক ফল অন্যরকম, সেখানে পোস্টাল ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর চেয়ে ৯টি বেশি ভোট পেয়েছেন মমতা।
পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে মমতা (Mamata Banerjee)
রাসবিহারী কেন্দ্রে বিজেপির স্বপন দাশগুপ্তের ঝুলিতে এসেছে ৭২৫টি ভোট। এদিকে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার পেয়েছেন ৫৯২টি ভোট।
যাদবপুরে বিজেপির শর্বরী মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন ৯৭৫টি পোস্টাল ভোট। সেখানে সিপিএমের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য পেয়েছেন ৬২৫ এবং তৃণমূলের দেবব্রত মজুমদার পেয়েছেন ৬৯৬টি ভোট। সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায় পেয়েছেন ২০০২টি ভোট। বিপরীতে তৃণমূল প্রার্থী লাভলি মৈত্রর প্রাপ্ত ভোট ৮৩৩।
বারুইপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৮৭২টি ভোট। বিজেপি সেখানে পেয়েছে ১০৭৮টি ভোট। বিধাননগরে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর ঝুলিতে এসেছে ৫৬৭টি ভোট। বিজেপির প্রাপ্ত ভোট ৭৯২। ব্যারাকপুর কেন্দ্রে বিজেপির কৌস্তুভ বাগচী পেয়েছেন ৯০৭টি ভোট। তৃণমূলের রাজ চক্রবর্তী পেয়েছেন ৫৫১টি ভোট।
পানিহাটিতে বিজেপির রত্না দেবনাথ পেয়েছেন ৬৯৮টি ভোট। তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ পেয়েছেন ৩৬২টি ভোট। কামারহাটিতে মদন মিত্র পেয়েছেন ৩২৪টি পোস্টাল ভোট। সেখানে বিজেপির ঝুলিতে গেছে ৫১০টি ভোট। দিনহাটায় তৃণমূলের উদয়ন গুহ পেয়েছেন ৯৭৭টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের প্রাপ্ত ভোট ১৪৬০।
নন্দীগ্রামে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ১৩৩২টি ভোট। তৃণমূলের পবিত্র কর পেয়েছেন ৮৯৯টি ভোট। আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন ৭৭৩টি ভোট। তৃণমূলের তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৩৯৬টি ভোট। রেজিনগরে AJUP প্রার্থী হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ২৭০টি ভোট। বিজেপির বাপন ঘোষের প্রাপ্ত ভোট ৫৬৮।
বহরমপুরে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী পেয়েছেন ১১০২টি পোস্টাল ভোট। তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন ৪৭০টি ভোট।
অন্যদিকে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৪৬৩টি ভোট। শুভেন্দু অধিকারীর প্রাপ্ত ভোট ৪৫৪।

আরও পড়ুন : ‘এখানে কোন ব্যক্তি..,’ মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু, কী বলছেন কুণাল ঘোষ?
পোস্টাল ব্যালটের এই ফলাফলকে অনেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন। চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগেই পোস্টাল ভোট রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকটাই বুঝিয়ে দিয়েছিল।













