বাংলা হান্ট ডেস্ক:তিন রকম চাল বিশ্বের দরবারে পেল স্বীকৃতি। রাষ্ট্রপুঞ্জ গোবিন্দভোগ (Gobindobhog Rice), তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড় চালকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিল। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারের ‘মাটির সৃষ্টি প্রকল্প’ পেল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। গ্রাম বাংলার মানুষ বিশেষ করে কৃষকদের উৎসর্গ করেছেন মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee) এই জয়। বুধবার নিজেই তিনি এই খবর জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমে।
বিশ্বের দরবারে চালের স্বীকৃতি কৃষকদের উৎসর্গ করেছেন মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee)
বুধবার রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে পাওয়া শংসাপত্র মুখ্যমন্ত্রী পোস্ট করেছেন সমাজ মাধ্যমে। পশ্চিম দিকের জেলাগুলিতে ভূমি সেচ এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের সম্মিলিত প্রয়াসে মাটির সৃষ্টি প্রকল্প স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি রাজ্য সরকারের একটি আন্তর্বিভাগীয় প্রকল্প, যার মাধ্যমে এই পশ্চিম দিকের জেলাগুলিতে ফসল ফলানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কারণ এই অঞ্চল গুলিতে বরাবরই থাকে কৃষি সমস্যা। মূলত জলের কারণে এই সমস্যা হয়।
২০২০ সালে রাজ্য সরকার মাটির সৃষ্টি প্রকল্প চালু করে বেশ কয়েকটি জেলায়। সেখানে এক ফসলি জমিগুলোকে আবার চাষের উপযোগী করা হয় বিশেষ কৌশলে। তার জন্য জমির আশেপাশে নতুন করে পুকুর করা বা সেচের ব্যবস্থা করা হয়। এতে কর্মসংস্থানও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে শুরু হলো সান্ধ্য ওপিডি পরিষেবা, রোগীদের জন্য বড় সুবিধা
তিনি লিখেছেন ‘এটা খুব মর্যাদা পূর্ণ একটা সম্মান, রাষ্ট্রপুঞ্জের এফএও-এর ডিরেক্টর জেনারেল আমাদের যে শংসা পত্রগুলি পাঠিয়েছেন, সেগুলি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি। এই স্বীকৃতি আমরা আমাদের গ্রাম বাংলার মানুষ এবং বাংলার কৃষকদের উৎসর্গ করছি।’ তিন রকম চালকে যে রাষ্ট্রপুঞ্জ স্বীকৃতি দিয়েছে, তার মধ্যে তুলাইপঞ্জি হলো মূলত উত্তরবঙ্গের চাল।
আরও পড়ুন:চাকরি বাঁচাতে দিতেই হবে TET! কী বলছে সুপ্রিম কোর্ট? শিক্ষকদের জন্য বড় খবর

এটি উত্তর দিনাজপুর ও সেই সংলগ্ন এলাকাগুলোতে চাষ করা হয়। কনকচূড় হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় আর গোবিন্দ ভোগ চাল পাওয়া হয় বর্ধমান, হুগলি, নদীয়া, বাঁকুড়া ও বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে। তবে পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও প্রান্ত থেকেই এই তিন ধরনের চাল কেনা যায়। সুগন্ধি হিসেবে এই তিন প্রকার চালের নাম আগে থেকেই ছিল। এবার রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বীকৃতি পাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যে যুক্ত হল নতুন পালক।












