চাকরি বাঁচাতে দিতেই হবে TET! কী বলছে সুপ্রিম কোর্ট? শিক্ষকদের জন্য বড় খবর

Published on:

Published on:

Do working teachers have to pass TET?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক:চাকরি বাঁচাতে টেট পাস করতেই হবে কী? এ নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। দেখা যাচ্ছে পরিস্থিতি খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ু সরকার কর্মরত শিক্ষকদের (In Service Teachers) জন্য টেট (TET) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কি করবে, এখন সেদিকে তাকিয়ে সকলে।

কর্মরত শিক্ষকদের টেট (TET) পাস করতেই হবে কী?

শিক্ষকদের মধ্যে একাংশ আশা করেছিলেন যে, হয়তো আইনি পথে এ ব্যাপারে কোনও সুরাহা মিলতে পারে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেরকম কোনও আশাব্যঞ্জক খবর নেই। রাজ্য সরকার এবং শিক্ষক সংগঠন গুলি রিভিউ পিটিশন বা পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করেছিল সুপ্রিম কোর্টে, কিন্তু সাড়ে ছ মাস হয়ে যাওয়ার পরও সেগুলির কোনও শুনানির তারিখ দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে এই মামলার শুনানি ওপেন চেম্বারে হবে, না ক্লোজ চেম্বারে হবে, সে ব্যাপারেও কোনও কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের শীতকালীন অধিবেশনে সংসদরা কর্মরত শিক্ষকদের এই বিষয়টি তুলে ধরেন, কিন্তু কেন্দ্রের তরফে এ ব্যাপারে কোনও সদর্থক মত পাওয়া যায়নি।

সরকার যে কোনও অর্ডিন্যান্স জারি করে, শিক্ষকদের আইনি রক্ষাকবচ দেবে, সেরকম কোনও ইঙ্গিত এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। অন্য রাজ্যগুলিও এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। তামিলনাড়ু সরকার ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে অর্থাৎ আদালতের নির্দেশ মেনে তারা যে টেট পরীক্ষা নিচ্ছে, সেটা স্পষ্ট। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কী করবে, সে দিকে সকলেরই দৃষ্টি রয়েছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গে সামনে বিধানসভা নির্বাচন।

আরও পড়ুন:বিজ্ঞাপনের আড়ালে ঢাকা জীর্ণ কুঁড়েঘর! ‘বাংলার বাড়ি’ থেকে ব্রাত্য বাঁকুড়ার ১৩টি শবর গ্রাম

পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখন ভোটের কারণে এ ব্যাপারে কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত না নিলেও, অদূর ভবিষ্যতে কি করবে তা বলা যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে টেটের বিজ্ঞপ্তি আসার প্রবল সম্ভাবনা আছে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাসে পাঠদান করতে হলে টেট উত্তীর্ণ হতেই হবে। সে ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা লাভজনক হবে।

আরও পড়ুন:চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে শুরু হলো সান্ধ্য ওপিডি পরিষেবা, রোগীদের জন্য বড় সুবিধা

Do working teachers have to pass TET?

যদিও এখনও কোনও সুনির্দিষ্ট সরকারি নির্দেশিকা আসেনি তবে এ ব্যাপারে সরকার বা আদালত কেউই শিক্ষকদের তরফে, জোরদার সওয়াল না করায়, আশা করা হচ্ছে কর্মরত শিক্ষকদের বসতে হবে পরীক্ষায়। সে ক্ষেত্রে আগে থেকে প্রিপারেশন নেওয়া থাকলে সেই আগাম প্রস্তুতির কারণে পরীক্ষায় ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।